আজ পরীক্ষা অগ্নি-৫-এর

Last Updated: Wednesday, April 18, 2012 - 11:00

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের অধীর আগ্রহের মধ্যে বুধবার পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম `ভূমি থেকে ভূমি` ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫-এর পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণ করতে চলেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এই মিসাইল`টি ওড়িশার বালাসোরের কাছে হুইলার দ্বীপের `ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ`(আইটিআর)-এর চতুর্থ `লঞ্চিং প্যাড` থেকে উত্‍‌ক্ষেপণ করা হতে পারে বলে ডিআরডিও-র তরফে ইঙ্গিত মিলেছে। উত্‍‌ক্ষেপণ সফল হলে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অগ্নি-৫ হবে ভারতের সবথেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।
১৭ মিটার দৈর্ঘ্য, ২ মিটার প্রস্থ এবং ৫০ টন ওজনের এই `অন্তর্বতী পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র`টির সঙ্গে দু`টি অতিরিক্ত কম্পোসিট মোটর সংযুক্ত করার পরীক্ষাতেও প্রাথমিক সাফল্য পেয়েছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা। এই পরীক্ষায় চূড়ান্ত সাফল্য এলে আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন ও চিনের পর বিশ্বের ষষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী হবে নয়াদিল্লি। উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে চাঁদিপুর উপকূলেই অগ্নি সিরিজের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র, অগ্নি-১-এর সফল পরীক্ষা করেন ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ পরীক্ষানিরীক্ষার পর ২০০২ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রসম্ভারে ঠাঁই করে নেয় ৭০০ কিমি পাল্লার এই `ভূমি থেকে ভূমি` ক্ষেপণাস্ত্র।
১ টন ওজনের বিস্ফোরক বহনযোগ্য অগ্নি-সিরিজের এই নবতম সংস্করণে প্রয়োজনে পরমাণু অস্ত্রও ব্যবহার করা যায়। উচ্চ ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে চালিত অগ্নি-৫ ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন দিশার সূচনা করবে বলেই মনে করেছেন ডিআরডিও-র ক্ষেপণাস্ত্র বিভাগের বিজ্ঞানীরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৫ নভেম্বর ওড়িশা উপকূলে সফলভাবে ৩,০০০ কিলোমিটার পাল্লার অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল ডিআরডিও। সে সময় অগ্নি-৪-এর নিখুঁত `কন্ট্রোল অ্যান্ড গাইডেন্স সিস্টেম` চমত্‍কৃত করেছিল প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।



First Published: Wednesday, April 18, 2012 - 12:22


comments powered by Disqus