কাল ভাগ্যপরীক্ষা ওডাফার, কিছুটা বাড়তে পারে শাস্তি

Update: January 20, 2013 17:36 IST

সোমবার ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে বসতে চলেছেন মোহনবাগানের নাইজেরীয় গোলমেশিন ওকেলি ওডাফা।নয়ই ডিসেম্বরের বিতর্কিত ডার্বিতে অধিনায়ক ওডাফার লালকার্ড দেখার পর থেকেই যাবতীয় গন্ডগোল শুরু হয়েছিল। বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলির রিপোর্টেও ছিল যে মাঠে ওডাফার আচরণ সঠিক ছিল না। সেইমতই ফেডারেশন সচিব শোকজ করেন ওডাফাকে। তার পরবর্তীধাপে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে বসতে চলেছেন মোহনবাগানের সেরা তারকা।

ইতিমধ্যেই লালকার্ড দেখার জন্য দুম্যাচ নির্বাসিত হয়েছেন তিনি। নির্বাসিত ম্যাচের সংখ্যা আর বাড়বে কিনা,তাই নির্ধারণ করবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। যদিও মোহনবাগান কর্তারা আশাবাদী যে ফেডারেশনের কাছে সুবিচার পাবেন ওডাফা।
  
ওডাফা রেফারির গায়ে হাত দেননি। তাই মনে করা হচ্ছে কঠিন শাস্তির হাত থেকে সম্ভবত রেহাই পেতে চলেছেন তিনি। তবে আরও একটা বা দুটো ম্যাচ নির্বাসিত হতে পারেন তিনি। সঙ্গে হতে পারে জরিমানাও।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।