ঢাকায় বসে পশ্চিমবঙ্গে হামলার ছক কষছে পাক কূটনীতিকরা, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট গোয়েন্দাদের

সম্প্রতি এক কূটনীতিকের ব্যাপারে আপত্তি তোলে শেখ হাসিনা সরকার। ঢাকার বক্তব্য ছিল, আইএসআইয়ের কাজকর্মের জন্য কূটনীতির আশ্রয় নিচ্ছে পাকিস্তান

Updated: Oct 11, 2018, 06:07 PM IST
ঢাকায় বসে পশ্চিমবঙ্গে হামলার ছক কষছে পাক কূটনীতিকরা, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট গোয়েন্দাদের

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতে জঙ্গি হামলা মদত দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই আসে পাকিস্তানের নাম। এবার ঢাকায় বসে তারা ভারতে, এমনকি বাংলাদেশের বুকে জঙ্গি হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দাদের রিপোর্ট। ওই জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে ঢাকার পাক দূতাবাস থেকেই।

আরও পড়ুন-বলিউডে যৌন হেনস্থা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমির খানের  

জি নিউজের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কূটনীতিকের বেশে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের লোকজন ঢাকায় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে বৈঠক করছে। এমনটাই মনে করছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দা সূত্রে জি নিউজের খবর, ‘পাক হাই কমিশনের এক কূটনীতিক সম্প্রতি গোপনে এক বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে আত্মঘাতী হামলার জন্য কমপক্ষে ১০০ জনের জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ঠিক হয়েছে। ট্রেনিংপ্রাপ্ত আত্মঘাতী জঙ্গিদের পশ্চিমবঙ্গেও হামলার জন্য পাঠানো হতে পারে।‘

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক কূটনীতিকের ব্যাপারে আপত্তি তোলে শেখ হাসিনা সরকার। ঢাকার বক্তব্য ছিল, আইএসআইয়ের কাজকর্মের জন্য কূটনীতির আশ্রয় নিচ্ছে পাকিস্তান। সেক্ষেত্রে ঢাকায় পাক হাইকমিশনকে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের জন্যও এটি একটি উদ্বেগের বিষয়। পাকিস্তান কীভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য কূটনীতিকদের ব্যবহার করা হচ্ছে তা ভারত জানে। পাকিস্তানের অধিকাংশ কূটনীতিক আইএসআইয়ের এজেন্ট। খবর রয়েছে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন জাল ভারতীয় টাকা ছড়ানোর কাজে জড়িত।

আরও পড়ুন-ঘূর্ণিঝড় নয়, ‘তিতলি’-র প্রভাবে বৃষ্টিতে ভুগবে পশ্চিমবঙ্গ

গত মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা রিপোর্ট জমা পড়ে। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের নির্বাচনের সময়ে সেখানে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছে জেএমবি। এনিয়ে একটি বৈঠকও হয়েছে। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে হামলার জন্য অস্ত্র ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট কেনা হবে অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির কাছ থেকে। চট্টগ্রামে তারা ২ সপ্তাহের একিট ট্রেনিংয়েরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. You can find out more by clicking this link

Close