আজ ভারতে পাক প্রধানমন্ত্রী, বিতর্ক আজমের শরীফ যাওয়া নিয়ে

Update: March 9, 2013 11:18 IST

একদিনের ভারত সফরে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ আজ জয়পুরে আসছেন। জয়পুরে মধ্যাহ্নভোজনে আশরাফ দেখা করবেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী সালমান খুরশিদের সঙ্গে। এরপর সূচী অনুযায়ী তাঁর যাওয়ার কথা আজমির শরিফে। তবে এই সফরে দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে কোনও আলোচনা হবে না বলে জানান বিদেশমন্ত্রী।

অন্যদিকে, একদিকে পাক প্রধানমন্ত্রীর আজমের সফর নিয়ে ভারতও যখন প্রস্তুত, ঠিক তখনই রাজা পারভেজ আশরফের সফরে আপত্তি জানালেন খোদ আজমের শরিফের দেওয়ান।

আশরফের ভারত সফরের ঠিক আগের দিন আপত্তি জানিয়েছেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতির দেওয়ান। জাইনুল আবেদিন আলি খানের আপত্তির কারণটা ঠিক কী? সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে পাক সেনার হাতে দুই ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর, সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে আসা উচিৎ নয় বলে মনে করছে আজমের শরীফ। আবেদিন সাহেব এদিন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবার রাজা আশরফের প্রার্থনা অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। একদিকে পাক প্রধানমন্ত্রীর আজমের সফর নিয়ে ভারতও যখন প্রস্তুত, ঠিক তখনই রাজা পারভেজ আশরফের সফরে আপত্তি জানালেন খোদ আজমের শরিফের দেওয়ান।

আশরফের ভারত সফরের ঠিক আগের দিন আপত্তি জানিয়েছেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতির দেওয়ান। জাইনুল আবেদিন আলি খানের আপত্তির কারণটা ঠিক কী? সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে পাক সেনার হাতে দুই ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর, সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে আসা উচিৎ নয় বলে মনে করছে আজমের শরীফ। আবেদিন সাহেব এদিন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবার রাজা আশরফের প্রার্থনা অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

পাক প্রধানমন্ত্রীর কড়া নিন্দা করা হয়েছে আজমের শরীফের পক্ষ থেকে। পাকিস্তান প্রশাসনের হাত `রক্তাক্ত` হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আবেদিন সাহেব। এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ জানান, পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক ভোজের অনুষ্ঠানে জয়পুরে উপস্থিত থাকবেন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।