এবারেও আইপিএলে নেই আফ্রিদিরা

Update: January 31, 2013 21:01 IST

এবারের আইপিএলেও ব্রাত্যই থেকে গেলেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। আগামী রবিবার এপ্রিল-মে মাসের আইপিএলের ষষ্ঠ সংস্করণের নিলাম হবে। এই নিলামের জন্য ১০১ জনের খেলোয়াড়ের যে তালিকা আইপিএল কমিটি প্রকাশ করেছে তার মধ্যে ঠাঁই মেলেনি একজনও পাক ক্রিকেটারের।

২০০৮ সালে মুম্বইয়ের ২৩/১১-এর পর থেকেই আইপিএল থেকে বাদ পড়েছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। তার পর থেকে পাকিস্তানিরা প্রতি বছরের আইপিএলেই খেলার ইচ্ছার কথা বারবার প্রকাশ করলেও, এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদের। গত বছরের ডিসেম্বরে সীমান্ত পেড়িয়ে পাক ক্রিকেটদল ভারতে খেলতে এলে মনে করা হয়েছিল এইবার বোধহয় আইপিএলের দরজায় খুলে দেওয়া হবে তাঁদের জন্য। পাকিস্তানি বোর্ডও উৎসাহিত ছিলেন এবারের আইপিএল নিয়ে। বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকেও অন্তত নিলামে পাক ক্রিকেটারদের রেখে দেওয়ার কিঞ্চিত আভাসও পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু তারপরেই আইপিএল কর্তৃপক্ষ ও বিসিসিআই-এর আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েই দিয়েছিল এবারও আইপিএলের বাইরেই থাকবেন পাকিস্তানিরা।

সরাসরি কোন নির্দেশ না দিলেও বিসিসিআই আকারেই ইঙ্গিতে বুঝিয়েই দিয়েছিল সীমান্তের ওপারের কোন ক্রিকেটারকে আইপিএলে খেলার মত স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না তারা।

আজ এক শীর্ষ স্থানীয় আইপিএল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট ভাবে নিজেরদের অবস্থান জানিয়ে দিয়ে বলেছেন, ``ফ্র্যাঞ্চাইজিরা তাঁদের দলের পিছনে বহু টাকা ব্যয় করেন। পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের দলে নিয়ে কোন রকম ঝুঁকি নিতে তাঁরা চান না।``

আইপিএল-৬-এর নিলামে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক ও প্রাক্তন অধিনায়ক রিকি পন্টিং। দুজনেরই বেস প্রাইস দু কোটি টাকা। তেসরা ফেব্রুয়ারি চেন্নাইতে হবে ষষ্ঠ আইপিএলের নিলাম। এবারের নিলামে তোলা হবে সাত ভারতীয় ক্রিকেটারকে।



Post Your Comment

Total Comments:1

abar pak cricket player naya uchit chilo.karon sob kichu t ghota cholacha ipl ta kano bad jaba.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।