রাজ্য চায় ভোট হোক এপ্রিলের ২৪ ও ২৭

Update: March 12, 2013 15:35 IST

চব্বিশ ও সাতাশে এপ্রিল দু দফায় পঞ্চায়েত ভোট করাতে চায় রাজ্য সরকার। পনেরোই মার্চ ভোট অন অ্যাকাউন্ট পাস করা হবে। ওই দিন রাতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে সরকারের তরফে জানানো হবে, চব্বিশ ও সাতাশে এপ্রিল ভোট করানোর কথা।

ষোলোই মার্চ সম্ভবত ভোট সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মধ্যে কোনও সংঘাত নেই। দুপক্ষের মধ্যে মতামত আদানপ্রদান হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। আইন অনুযায়ী রাজ্য সরকারই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।

Post Your Comment

Total Comments:4

ami aapnader channel ke anurodh karchi chasira aalur dam pasche na sei niye alochona karun chasira banchbe.

Mukul dar kotha i TORMUJ o patta dai na! Mukul babu to TMC r antorjatik rajyo sobhanetri ! na bhul holo tmc te netri ekmebdyitiom ekjon. TAHOLE PANCHAYET BOLTU AR ANORJATIK9CHOI9 CHORBOBHARATI CHAMPADOK KE THIK! JODIO EI KOTHA LEKHA BA tmc doler karor kotha niye kono montobbooo anajja - karon KANKE PALANO REPUBLIC ER PUBLIC ERA

rajyo 24 e vot nite parleo 27 e kivabe nibe.. karon 28 april all india basis 2ta xam ache ssc r state bank er.. r school guli k nite hbe exam nebar jonne.. bisoy ti rajyo abagato korar jonne anurodh janacchhi

...aneke atai jane naa...আইন অনুযায়ী রাজ্য সরকারই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।