আফজল গুরুর ফাঁসির নিন্দায় পাক প্রস্তাব অগ্রাহ্য লোকসভার

Update: March 15, 2013 19:19 IST

আফজল গুরুর ফাঁসির নিন্দা করে পাক আইনসভায় গৃহীত প্রস্তাব অগ্রাহ্য করল লোকসভা। শাসক-বিরোধী সব পক্ষের সর্বসম্মতিতে প্রস্তাবটি খারিজ হয়ে যায়। সংসদ হামলায় দোষী সাব্যস্ত আফজল গুরুর মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করায় পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। এ সবের মধ্যেই শ্রীনগরে সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক পাক নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, আফজল গুরুর ফাঁসির নিন্দা করে প্রস্তাব গ্রহণ করে পাক আইনসভার নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। শুক্রবার, এই প্রস্তাবটিকে খারিজ করে লোকসভায় একটি প্রস্তাব পেশ করেন অধ্যক্ষ মীরা কুমার।
 
আফজল গুরুর ফাঁসির নিন্দা করে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে সংসদে জঙ্গি হামলার ঘটনাকেও সমর্থন করছে তারা। এমনই অভিযোগ করেছে বিজেপি। পাকিস্তান ইস্যুতে সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছে তারা। পাকিস্তান ইস্যুতে সংসদে বিরোধীদের আলোচনার দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।
 
এ সবের মধ্যেই আফজল গুরুর দেহাবশেষ কাশ্মীরে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন সিপিআইএম পলিটব্যুরো সদস্য বৃন্দা কারাট। এ দিকে, শ্রীনগরের বেমিনায় সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর আত্মঘাতী হামলায় জড়িত সন্দেহে বৃহস্পতিবার এক পাক নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাকিস্তানে ফোনকলের সূত্র ধরে ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে ছত্তাবাল এলাকা থেকে তাকে ধরা হয়। ধরা পড়ার আগে সে নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ করে গুলি চালায় বলে সূত্রের খবর। আত্মঘাতী হামলায় নিহত জঙ্গিদের ডায়রি থেকে বশির আহমেদ মির নামে বারামুল্লা জেলার উরির এক বাসিন্দার ফোন নম্বর পাওয়া যায়। তাকে জেরা করেই মুলতানের বাসিন্দা জঙ্গি নেতা আবু তালিবের ঘনিষ্ঠ এই পাক জঙ্গিকে ছত্তাবাল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।