ফের একবার সিপিআইএমকে আক্রমণ করলেন শিল্পমন্ত্রী

Update: December 16, 2011 22:49 IST

সংগ্রামপুরে বিষমদ কাণ্ড নিয়ে ফের একবার সিপিআইএমকে আক্রমণ করলেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার বিধানসভায় তিনি অভিযোগ করেন, আমরি কাণ্ড থেকে নজর ঘুরিয়ে দিতেই পরিকল্পিতভাবে সিপিআইএম বিষমদ কাণ্ড ঘটিয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, আমরি কাণ্ডে গ্রেফতার হাসপাতালের নয় কর্তা সিপিআইএম ঘনিষ্ঠ। সেখান থেকে নজর ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। দিল্লিতে একই অভিযোগ করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবারওপার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, সংগ্রামপুরে চোলাই মদে পরিকল্পিতভাবে বিষ মিটিয়েছে সিপিআইএম। তার প্রতিবাদে শুক্রবার বিধানসভায় প্রতিবাদে উত্তাল বাম বিধায়করা।  বাম বিধায়করা দাবি করেন, শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন, সেটা তাঁকে প্রমাণ করতে হবে। শুরু হয় বচসা। পরিস্থিতি বুঝে স্পিকার ঘোষণা করেন, প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হলে, বিষয়টি নিয়ে কথা হবে। বাম বিধায়কেরা বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের নেতৃত্বে বিষমদ কাণ্ডে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রতিবাদে রাজ্যপালের কাছে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।