বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে কাঠগড়ায় শিল্পমন্ত্রী

Update: February 7, 2013 13:53 IST

সরকারি দফতরে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ এবার শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ এনেছেন বেঙ্গল গভর্ণমেন্ট প্রেসের আলিপুর শাখার আইএনটিটিইউসি নেতাকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, সব রকম নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের ৪০জনকে ওই প্রেসে নিয়োগ করেছেন শিল্পমন্ত্রী। প্রতিবাদে আজ সকালে ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্মেন্ট প্রেসের আলিপুর শাখায় বিক্ষোভ দেখান আইএনটিটিইউসির সমর্থকেরা। সরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগের সমস্ত বিধি ভেঙে ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্ণমেন্ট প্রেসে চল্লিশজনকে নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এমনই অভিযোগ ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্ণমেন্ট প্রেসের আলিপুর শাখার আইএনটিটিইউসি নেতা ও কর্মীদের। তাঁদের আরও অভিযোগ, নিয়োগ হওয়া ব্যক্তিরা অধিকাংশই পার্থবাবুর নির্বাচনী  এলাকা বেহালার বাসিন্দা।   

গত কয়েকবছর নিয়োগ বন্ধ রয়েছে এই দফতরে। নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা দফতরের অস্থায়ী কর্মী এবং মৃত কর্মচারীদের আত্মীয়দের। কিন্তু তাদের টপকে কী ভাবে এই ৪০জনকে নিয়োগ করা হল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।  

আরও বিপজ্জনক অভিযোগ তুলেছেন  আইএনটিটিইউসি নেতা নির্মলেন্দু মিশ্র। তিনিও ওই প্রেসের কর্মী। তাঁর অভিযোগ, বুধবার গভীর রাতে তাঁকে ফোনে ডেকে এনে ৪০ জনের নিয়োগে নো অবজেকশনের চিঠিতে সই করতে নির্দেশ দেন প্রেসের সুপারিনটেন্ডেন্ট।  নিয়োগপত্রগুলির তারিখেও গোলমাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মলেন্দু সাহা।

একটি সরকারি দফতরে নিয়োগ করার ছদিন পরই কীভাবে এবং কেন ওই কর্মীদের অন্য দফতরে সরিয়ে আনা হল? কিভাবে তাঁরা চাকরিতে বহাল হলেন এপ্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি নিয়োগ হওয়া কর্মীরা।সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তাঁরা।
 






Post Your Comment

Total Comments:11

2din hoye gelo `PARTHOBABUR`` KONO JABAB EKHUNO PAINI.

PARTHO SOMPURNO BERTHO.AR JAI HOK ADER DIYE RAJJO CHALANO JAI NA .JEMON CHAGOL DIYE CHASS HOI NA. JOTO SOB DIDIR VERA.

PARTHO SOMPURNO BERTHO.AR JAI HOK ADER DIYE RAJJO CHALANO JAI NA .JEMON CHAGOL DIYE CHASS HOI NA. JOTO SOB DIDIR VERA.

Partha Babu - What is going on? Is this an example of honesty?

Sobei tar maya,mane takar khela !!!! sot dekhano jotota soja,sot howata totota soja noy.er vote bank ke tel dite kar na bhalo lage.

Naamta Partha, Achhe onek artho, Dakho taar khomota, Achhe songe Mamota.

আশা করি মাটি উৎসব শেষে অভিযোগটাই মাটি হবে। মাঠে মারা যাবে। তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন ভুল জানে। ভুল মানেএবং আইনি ব্যপারটা বেআইনি জানে।

`Gajo` r shorir er sange matha r besh ghonistho jogajog ache kintu...chokh dekhle seta poriskar bojha jaye.

Amra poriborton cheyechilam...tai apnader niye asechi... Tar binimoye ki amader prappo agulo chilo?? Apnara to 20% development o dekhate parlen na..kintu Dabi kore berachchen 99% kaj sere felechen...apnader ki mone hoy sadharon jonota sobai boka?? tara choke dekhte pai na...r jodi 99% kaj korei fele thaken tahole akhono GODI te bose achen keno??? jonotar kach theke jene nin/// apnara koto ta sofol>>> amader bad luck j amader hate kono bikolpo nai...

MR.PARTHO EBARTO BOLTE PARBENNA JE CPM DALAL PATHIA GANDOGOL KORECHE,ORA APNER DIDIR CHELA.SATOTAR PRATIK MAMATA KI JANTEN NA? EHAO EK PROKAR DURNITI NAO? FIRHAD HAKIM KI BOLEN?

শ্রীযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় নাকি বড় কোন কোম্পানীতে চাকরি করতেন,কী কারনে উনি এত্তো বড় চকরিটা ছেড়ে দিলেন?খুব জানতে ইচ্ছে করে....

  • FRIEND
  • Posted: 2/7/2013 11:15:01 PM

USE RTI AND BRING EVERYTHING IN FRONT OF PUBLIC AS ACCOUNTABILITY OF SOTOTAR PROTIK

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।