মুকুলের সভার মাঝেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

Update: January 23, 2013 08:43 IST

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে, জেলায় জেলায় বেড়ে চলা দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঠেকাতে নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু দলনেত্রীর নির্দেশে যে বিশেষ কাজ হয়নি মঙ্গলবার তা স্বচক্ষে দেখলেন মুকুল রায়। বাঁকুড়ার ইন্দাসে তাঁর সামনেই প্রকাশ্য সমাবেশে এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করল অন্য গোষ্ঠী। মুকুল রায়ের অবশ্য দাবি বিশৃঙ্খলাকারীরা সিপিআইএমের মদতপুষ্ট।  


মঙ্গলবার কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতি ও সিপিআইএমের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বাঁকুড়ার ইন্দাসে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সবে তখন সমাবেশ মঞ্চে এসেছেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। আচমকাই সভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ রবিউল হোসেনকে ফের ইন্দাসের ব্লক সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানাতে থাকেন। মুহূর্তেই সমাবেশ মঞ্চে শুরু হয়ে যায় তুমুল হইহট্টগোল, বিশৃঙ্খলা। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে শেষমেষ মাইক হাতে নিতে হয় মুকুল রায়কে।
 
 
মুকুল রায় যাই দাবি করুন। ইন্দাসের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের গৌতম বেরা গোষ্ঠীর সঙ্গে রবিউল হোসেন গোষ্ঠীর বিরোধ সুবিদিত। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষও নতুন কোনও ঘটনা নয়। কিছুদিন আগে রবিউল হোসেনকে তৃণমূলের ইন্দাস ব্লক সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত করে দল। দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থানীয় বিধায়ক গুরুপদ মেটেকে। গুরুপদ মেটে আবার গৌতম বেরা গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ। এই ঘটনা নিয়ে রবিউল হোসেন গোষ্ঠীর ক্ষোভ ছিলই। মঙ্গলবার মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে তা সামনে আসায় দলের অস্বস্তি বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

Post Your Comment

Total Comments:3

asale trinamuler netara vaben -amii ei alakar dada. Ei vabe anek dadai sristi.sabi jodi dada hoy tobe dadagiri to hobei

অশিক্ষিত মুকুল বাংলার সমাজসেবী সর্বভারতীয় নেতা!৩৪বছ রে ভাবা যায়?CPM এই সর্বনাশ করেছে বাংলার।

TRINOMULAR GOSTI KODOL, ER JONYO CPM DAI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।