বিজেপির প্রতি বিরক্ত মানুষ, আদবানির বোমা

Update: March 9, 2013 21:36 IST

বোমা ফাটালেন লালকৃষ্ঠ আদবানি। বিজেপির লৌহপুরুষ বললেন, কংগ্রেসের পাশাপাশি বিজেপির প্রতিও কোনওভাবে বিরক্ত সাধারণ মানুষ। একটি সাক্ষাত্কারে আদবানি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে দেখছি, "জনগণ দেশের বর্তমান শাসক দলের ওপর ক্ষেপে উঠলেও বিজেপির ওপরও সমানভাবে অসন্তুষ্ট এতে আমি খুব হতাশ"। আগামি লোকসভা নির্বাচনে দলের ভাল ফলাফল নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন আদবানি। বলেছেন, এই ক বছরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে যে হাওয়া উঠছে তা বিজেপি তো কাজে লাগাতে পারেইনি। বরং কোথাও কোথাও কংগ্রেসকে অক্সিজেন দিয়েছে।

২০১০ সালে কর্ণাটকে প্রাক্তন দলীয় মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রসঙ্গে বলেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে বিন্দুমাত্র আপস নয়, এমন কঠোর মনোভাবই দেখানোর কথা বিজেপির। কিন্তু কর্ণাটকে আমরা যা করলাম, তা আমাকে হতাশ করেছে

নরেন্দ্র মোদীর উত্থানের পর দলে ক্রমশই পিছনের দিকে চলে যাচ্ছেন বিজেপির এই প্রবীণ সাংসদ। সেই হতাশা থেকে এমন মারাত্মক কথা আদবানি বললেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।