আইপিএলের দর বাড়িয়ে `টাইটেল স্পনসর` পেপসি

Update: November 21, 2012 17:44 IST

টিআরপি রিপোর্ট বলছে আইপিএলের জনপ্রিয়তা কমছে, কিন্তু বাজার তার উল্টো পথেই চলছে। আইপিএলের নতুন `টাইটেল স্পনসর` হল বহুজাতিক ঠান্ডা পানীয় সংস্থা পেপসি। পাঁচ বছরে ৩৯৬ কোটি টাকার চুক্তিতে ভারতীয় ক্রিকেটের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (পড়ুন আইপিএল)-এর নতুন নাম হিসাবে জড়িয়ে গেল পেপসি। মুম্বইয়ে আইপিএল কাউন্সিলের সভায় দরপত্রের সব খাম খোলার পরে ঠিক হল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী লিগের `টাইটেল স্পনসর` হচ্ছে পেপসি। এই দরপত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দাম হেঁকেছিল এয়ারসেল (৩১৬ কোটি টাকা)। আইপিএলের প্রথম পাঁচটি সংস্করণে টাইটেল স্পনসর ছিল নির্মাণকারী সংস্থা ডিএলএফ। তারা পাঁচ বছরের জন্য দিয়েছিল এখন পেপসি যা দিচ্ছে প্রায় তার অর্ধেক। অর্থাত্‍ পরিষ্কার প্রমাণ আইপিএলে জনপ্রিয়তায় ভাটার টান যতই আসুক বাজার কিন্তু অন্য পথে হাঁটছে।

২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের ভরাডুবির পর যে পেপসি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা আর ক্রিকেটের পিছনে আর বড় অর্থ বিনিয়োগ করবে না। বরং ফুটবলের মত খেলাতেই তারা নিজেদের প্রচার সারবে। সেইমত তাদের প্রচারে উঠে আসে `চেঞ্জ দ্য গেম` এর মত টাইটেল। যাতে রণবীর কপূরকে দেখা যায় ফুটবল খেলতে। সেই পেপসিই আইপিএলে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে বুঝিয়ে দিল এই দেশে ব্যবসা করতে হলে এখনও প্রচারের সেরা হাতিয়ার ক্রিকেটই।
প্রসঙ্গত, গত পাঁচটি আইপিএলের টাইটেল স্পনসর ছিল ডিএলএফ৷ এ বার তারা নতুন করে চুক্তি নবীকরণ করেনি৷ তাদের বক্তব্য ছিল , টাইটেল স্পনসর হয়ে তারা যতটা প্রচার আশা করেছিল , তা পায়নি৷ বরং বিভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজির স্পনসর কম টাকা দিয়ে অনেক বেশি প্রচার পেয়েছে৷ পেপসি অবশ্য বলছে তারা অনেক দিক বিবেচনা করার পরই এত বড় মাপের টাকা বিনিয়োগ করছে।
আইপিএলে ক্রিকেটারদের নিলাম জানুয়ারিতে: ষষ্ঠ আইপিএলে ক্রিকেটারদের নিলাম হবে আগামী বছর জানুয়ারি মাসে। এই নিলাম হতে পারে ১২ জানুয়ারি চেন্নাই অথবা তার পরদিন কলকাতায়। এদিকে প্রীতি জিন্টার সঙ্গে বিবাদ অনেকটাই মিটে গেল বোর্ডের। এরজন্য বোর্ডকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে কিংস ইলেভেন পঞ্জাবকে দিতে হবে এক কোটি টাকা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।