সামান্য কমছে পেট্রোলের দাম

Update: May 31, 2012 19:13 IST

কমতে পারে পেট্রোলের দাম। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি আজ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। লিটারে দেড় টাকা থেকে ১ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত দাম কমানো হতে পারে। ডলারের তুলনায় টাকার দাম পড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে গত ২৩ মে পেট্রোলের দাম এক ধাক্কায় সাড়ে ৭ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছিল তেল কোম্পানিগুলি। পেট্রোলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির দায় নিতে অস্বীকার করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পাল্টা আন্দোলনে নামে তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকে-সহ ইউপিএর একাধিক শরিকদল। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী জয়পাল রেড্ডি বাধ্যবাধকতার কথা বললেও বিষটি নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটেন ইউপিএর ক্রাইসিস ম্যানেজার প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। এরই মধ্যে পেট্রোলের দাম কমার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে পরিষ্কার করে দেন জয়পাল রেড্ডি। ওদিকে বুধবার পেট্রোলের দামবৃদ্ধি ঘোষণা হতেই, বর্ধিত দর প্রত্যাহারের দাবিতে ৩১ মে প্রতিবাদ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় বামপন্থী দলগুলি। একই দিনে ভারত বন্‍‍ধ পালনের কথা জানায় এনডিএ।

পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহস্পতিবার এনডিএ ভারত বন্‌ধে সাড়া মিলেছে যথেষ্টি। এই পরিস্থিতিতে ১ জুন থেকে পেট্রোলের দাম কমতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম এবং ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। শুক্রবার তেল সংস্থাগুলির বৈঠকের পরই পেট্রোলের দাম কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও তেল সংস্থাগুলি যখন দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে, তাত্‍পর্যপূর্ণভাবে তখনই তেলের দাম বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সি রঙ্গরাজন। তিনি বলেছেন, পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধি সব সময়ই মানুষের কাছে অপছন্দের। কিন্তু রাজকোষে ঘাটতি মেটাতে কখনও কখনও দাম বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে। পেট্রোলের দাম একলাফে অনেকটা না বাড়িয়ে, ধাপে ধাপে বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:1

What will be the profit to do that? 7-1.60= 5.40 INR/lit..one of the biggest hike in recent days!!!!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।