১৫ দিনেই ফের মহার্ঘ পেট্রোল

Update: March 1, 2013 20:24 IST

পনেরো দিনের মধ্যেই বাড়ল পেট্রোলের দাম। ভ্যাট বাদে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে লিটার প্রতি এক টাকা ৪০ পয়সা করে পেট্রোলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলি। ভ্যাট যোগ করে কলকাতা শহরে পেট্রোলের দাম হল ৭৭ টাকা ৯৯ পয়সা। রাজধানী দিল্লিতে অবশ্য ভ্যাট কম হওয়ার কারণে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ৭০ টাকা ৭৪ পয়সা।

গত মাসের ১৬ তারিখই লিটার প্রতি দেড় টাকা করে বাড়ে পেট্রোলের দাম। একই সঙ্গে লিটার প্রতি ৪৫ পয়সা করে বেড়েছিল ডিজেলের দামও।

সরকারি সংস্থাগুলির তরফ থেকে জানান হয়েছে বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণেই দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে তারা। পেট্রোল ছাড়াও ডিজেলে এখনও লিটার প্রতি ১১ টাকা ২৬ পয়সা, কেরোসিনে ৩৩.৪৩ পয়সা এবং প্রতি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে ৪৩৯ টাকা করে লোকসান করে সংস্থাগুলি।

আইওসি জানিয়েছে এই অর্থ বর্ষে তাঁদের ক্ষতির পরিমাণ হবে ৮৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

Post Your Comment

Total Comments:2

AMAR MATRI VUMI BHAROTBORSO MOTEO DORIDRO NOY. SASHONER DONDO JADER HATE TADER OBOHELAR JONNO BHAROTBORSER AAJ EI DURDOSHA. BJP SORKAR JOKHON KENDRER KSHOMOTAY CHILO TOKHON JUDDHO CHOLA SOTTEO DROBYOMULYO SADHARON MANUSHER NAGAALER MODHYE CHILO.

congress sarkar nipat jak

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।