মহিলা নিরাপত্তায় জোর দেবে কেন্দ্র, আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

Update: December 27, 2012 17:52 IST

মহিলাদের নিরাপত্তা সরকারের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে প্রবল অস্বস্তির মুখে আজ একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। জাতীয় উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে ধর্ষণকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন, আইন দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

একই সঙ্গে মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যকে একযোগে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডে দেশজোড়া প্রতিক্রিয়ায় রীতিমত চাপে কেন্দ্র। রাজধানীতে তুমুল বিক্ষোভের মুখে ঘটনার নিন্দা করে আগেই শান্তিরক্ষার আবেদন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার জাতীয় উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও উঠে এল সেই প্রসঙ্গ।

দিল্লির ঘটনায় ধৃতদের কঠোর শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহিলাদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। কিন্তু যেভাবে মহিলাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যগুলিকেও একযোগে কাজ করার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।