পরমাণু শক্তি নাগরিক সুরক্ষার পরিপন্থী নয়, দাবি মনমোহনের

Update: January 15, 2013 16:20 IST

দেশের উন্নয়নে পরমাণু শক্তি জরুরি হলেও তাতে কোনওভাবেই নাগরিকদের সুরক্ষা বিঘ্নিত হবে না বলে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।

জাপানের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পরই দেশের পরমাণু কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়ে কুড়ানকুলামে পরমাণু কেন্দ্র তৈরির প্রকল্প। সোমবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুরক্ষার দিকে তাকিয়ে নতুন নিউক্লিয়ার সেফটি রেগুলেটরি অথরিটি বিল নিয়ে আলোচনা চলছে দেশের সংসদে। আন্তর্জাতিক পরমানু শক্তি সংস্থার সঙ্গে এবিষয়ে ভারত সহযোগিতা করে চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।