অর্থিক সংস্কারকেই টিকিয়ে রাখার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

Update: December 15, 2012 19:53 IST

আর্থিক সংস্কারের গতি বাড়াতেই উদ্যোগী কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার এমনটাই ফুটে উঠল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় ইউপিএ সরকরের সংস্কারের সমালোচকদের `জ্ঞানহীন` ও `সেকেলে` বলে পাল্টা সমালোচনা করতেও ছাড়েননি মনমোহন সিং।

এদিন প্রধানমন্ত্রী দাবি জানান, "২০০৮ সাল থেকে ভারতীয় অর্থনীতিতে স্বচ্ছলতা এসেছে। কিন্তু বিশ্ববাজারে আর্থিক মন্দা ভারতীয় অর্থনীতিকে প্রভাবিত করেছে। অত্যাধিক হতাশাজনক খবর দেশের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, "ইউরোপের আর্থিক অবস্থা উদ্বেগজনক পরিস্থিতে রয়েছে। চীন ও মার্কিন অর্থনীতিতেও মন্দা। বিশ্বের পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা হলফ করে বলা যাচ্ছে না।"

ফিকির ৮৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে বারতে থাকা ফিসক্যাল ডেফিসিট উদ্বেগের কারণ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "রাজনৈতিক দিক থেকে কঠিন, সম্প্রতি এমন কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হয়েছে। যাঁরা সংস্কারের বিরোধিতা করছেন, তাঁরা হয় জ্ঞানহীন নতুবা সেকেলে ভাবাদর্শের বসবর্তী হয়েই একাজ করেছেন।"

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।