আজ সন্ত্রাস-আর্ত হায়দরাবাদে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Update: February 23, 2013 20:50 IST

জোড়া বিস্ফোরোণের পর আজ হায়দরাবাদে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। হাসপাতালে গিয়ে বিস্ফোরণে আহত মানুষদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী কিরণ কুমার রেড্ডির সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী কথা হবে বলে জানা গিয়েছে। রেড্ডির কাছে তদন্তের বিষয়ে খোঁজখবর নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হায়দরাবাদের দিলসুকনগরে কয়েকমিনিটের ব্যবধানে দুটি বিস্ফোরণ হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন ১১৭।

বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সংসদে অভ্যন্তরিন নিরাপত্তার পশ্নে বিরোধীদের চাপের মুখে পড়ে ইউপিএ নিয়ন্ত্রণাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্ত্রাস হানার নিন্দা করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েদেন, হায়দরাবাদ নাশকতার চক্রীদের রেয়াত করা হবে না। সেইসঙ্গে দেশবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আবেদনও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতিমধ্যেই নাশকতায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা মঞ্জুর করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এ দিকে তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, তদন্তে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গোটা ঘটনায় অভিযোগের তির ইণ্ডিয়ান মুজাহিদ্দিনের দিকেই। যারা ব্যস্ত বাজারে তিনটি বিস্ফোরক রেখে গেল? তাদের সম্বন্ধে কোনও রকম তথ্য দিতে পাড়লে ১০ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে অন্ধ্র পুলিস। হায়দরাবাদ থেকে আজই দিল্লি ফিরে যাবেন মনমোহন সিং।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।