আক্রান্তকেই গ্রেফতার, বিতর্কে পুলিস

Update: November 19, 2012 21:37 IST

ফের একবার রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগে কাঠগড়ায় পুলিস-প্রশাসন। এবার ঘটনা বর্ধমানের রায়নায়। সোমবার সকালে শ্যামসুন্দর বাজার এলাকায় আক্রান্ত হন বাম সমর্থক মফিজুর রহমান। তিনি নাড়ুগ্রাম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। অভিযোগ, বাম সমর্থক হওয়ায় তার ওপর হামলা চালায় স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূলকর্মী। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন জেলা পরিষদ সভাধিপতি উদয় সরকারও।

ঘটনার জের কাটতে না কাটতেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল রায়না থানার পুলিস। অভিযুক্তদের না ধরে পুলিস গ্রেফতার করে আক্রান্ত মফিজুর রহমানকেই। সকালে উদয় সরকারকে হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য সার্ভিস রিভলভার বের করেছিলেন তাঁর দেহরক্ষী। সেই সময় সরকারি উর্দি না পরে থাকার কারণে তাঁকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিস সুপার।

Post Your Comment

Total Comments:1

Bina karane keu kau ke mare na puro news debar chesta korun. Na parle nijer kotha Party gathan kore bolun....keno ki aamra jani aapnara ja dhekhan saita puro satata thake na..........

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।