"দুর্নীতিতে জড়িতরা বেশীরভাগই অনগ্রসর শ্রেনীভুক্ত"

Update: January 26, 2013 21:32 IST

শনিবার জয়পুর সাহিত্য উৎসবের মঞ্চ প্রখ্যাত সমাজতত্ত্ববিদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আশিষ নন্দীর মন্তব্যকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল। একটি আলোচনাচক্রে অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষেরাই মূলত দূর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন বলে মন্তব্য করলেন তিনি! তাঁর এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই দর্শকদের মধ্যেই প্রবল প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। দ্রুত এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বহুজন সমাজ পার্টি সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল আশিষ নন্দীর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাঁর বিরুদ্ধে রাজস্থান পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আলোচনাচক্রটিতে আশিষ নন্দী বলেন ``যে সমস্ত মানুষেরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত মূলত তাঁরা ওবিসি, এসসি অথবা এসটি সম্প্রদায়ভুক্ত।``

পরে অবশ্য নিজের বক্তব্যের সাফাই দিতে গিয়ে প্রবীণ সমাজতত্ত্ববিদ জানিয়েছেন তাঁর বক্তব্যের অপব্যাখ্যা হয়েছে। তিনি আসলে বলতে চেয়েছেন দলিত শ্রেণীর মানুষদের অপরাধ বেশি করে সামনে আসে। নিজের সাফাইয়ের সাক্ষ্য হিসাবে তিনি বলেন, আমাদের দেশে ধনী ব্যক্তিরা বড়সড় দুর্নীতি করেও ছাড়া পেয়ে যান, কিন্তু খুব ছোট অপরাধকে বড় করে চিহ্নিত করতে চান।

কিন্তু তাঁর সাফাইয়ে বিন্দুমাত্র বিতর্কের অবসান হয়নি। বসপা সুপ্রিমো মায়াবতী আশিষ নন্দীর মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বলেছেন, রাজস্থান সরকার এবং সাহিত্য উৎসবের উদ্যোক্তারা যদি আশিষ নন্দীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেন সেক্ষেত্রে তাঁরা দলীয় ভাবে পদক্ষেপ নেবেন।

আশিষ নন্দীর মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন সিপিআই নেতা ডি রাজাও। বিখ্যাত দলিত সাহিত্যিক চন্দ্রভান প্রসাদ প্রশ্ন তুলেছেন কিসের ভিত্তিতে এই রকম মন্তব্য করেছেন আশিষ নন্দী।

Post Your Comment

Total Comments:4

Imediet required his treatment.

Jotoi sobai boluk jat uthe ga6e,ei ghotona proman kre dilo,adeo uthe6e ki ?

নন্দী ভীংগি কি জাত , সবাই জানে /

ASHIS NANDI BELONGS TO WHICH CAST.....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।