হাওড়া, হুগলিতে রাজনৈতিক সংঘর্ষ

Update: July 24, 2012 11:57 IST

দলীয় পতাকা তোলার বেদি তৈরিকে কেন্দ্র করে সিপিআইএম-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাওড়ার ডোমজুড়। দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় বোমাবাজি হয়। পুলিসের সামনেই দুষ্কৃতীরা স্থানীয়দের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, হুগলির খানাকুলে দুষ্কৃতীদের হাতে প্রহৃত হয়েছেন ঘরছাড়া এক সিপিআইএম নেতা।

দলীয় পতাকা রাখার জন্য বেদি নির্মাণ, আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হাওড়ার ডোমজুড়। দক্ষিণ কোরোলা এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সিপিআইএম এবং তৃণমূল কংগ্রেস। দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় বোমাবাজি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিস। কিন্তু পুলিসের সামনেই তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক দুষ্কৃতীরা স্থানীয়দের বাড়িতে লুঠপাট ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এমনকি দুই পুলিস অফিসারের বিরুদ্ধেও লুঠপাটের অভিযোগ উঠেছে। র‌্যাফ-এর জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকা থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিস। দুপক্ষের মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর থেকে এখনও আতঙ্কে রয়েছেন দক্ষিণ কোরোলার মানুষ।

অন্যদিকে হুগলির খানাকুলে দুষ্কৃতীদের মারে গুরুতর জখম হয়েছেন এক সিপিআইএম নেতা। মুক্ত মাঝি নামের ওই নেতার বাড়ি কিশোরপুর এক নম্বর অঞ্চলের ঘাসুয়াগ্রামে। এক বছরের বেশি সময় ধরে ঘরছাড়া রয়েছেন তিনি। অভিযোগ, ঘরে ফেরার জন্য মুক্ত মাঝির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে এলাকার দুই তৃণমূল নেতা। টাকা দিতে পারায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। দুষ্কতীদের মারে মুক্ত মাঝির হাত, পা ও বুকের পাঁজর ভেঙে গিয়েছে। আহত সিপিআইএম নেতা আরামবাগ মহকুমা হাসাপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।