পম আইসক্রিম পপ

Update: February 9, 2013 14:32 IST

বসন্ত রীতিমত জাগ্রত দ্বারে। তার সঙ্গেই বেশ সাজুগুজু করে হাজির প্রেম সপ্তাহ। প্রেম সপ্তাহতে রেস্তোরাঁ, ফুড কোর্ট তো চলতেই থাকবে। এর মধ্যেই আপনার হাতের জাদুতে না হয় মুগ্ধ করুন কাছের মানুষটিকে। শীতের শেষে ঠাণ্ডা পম আইসক্রিম পপ আপনাদের জীবনে প্রেম আরও জমাটি করে তুলবেই।

কী কী লাগবে

নারকেল কোরা-একটা নারকেলের
মধু-১ কাপ
বেদানার রস-দেড় কাপ
টুকরো করা বিট-এক টিন(১৪ আউন্স মতো)
লেবুর খোসা-১ টেবিল চামচ(কোরানো)
নুন-এক চিমটে
মেল্টেড চকলেট

কীভাবে বানাবেন

সব উপকরণ ইলেক্ট্রিক ব্লেন্ডারে এক সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। ক্রিমি হয়ে গেলে ছোট হার্ট শেপের সিলিকন মোল্ডে ঢেলে নিন। অন্তত ৬ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। ফ্রিজ থেকে বের করে প্রতিটা হার্টের মধ্যে পপ ঢুকিয়ে আবার ১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন পপ ঢোকানোর সময় হার্ট টুইস্ট করবেন না। ভেঙে যেতে পারে। এরপর পপ গুলোকে মেল্টেড চকলেটের মধ্যে ভালো করে ডিপ করে আরও একবার ঘণ্টা খানেকের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। চকলেট কোটিং পপ গুলোর উপর জমাট বেঁধে গেলে ফ্রিজ থেকে বার করে সার্ভ করুন।









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।