অশ্লীল ছবি, অভিযুক্ত বিধায়কদের ক্লিনচিট ফরেন্সিক রিপোর্টে

Update: March 23, 2012 16:21 IST

তিন দিনের মাথাতেই কার্যত ক্লিনচিট পেলেন গুজরাট বিধানসভায় `পর্নগেট` কাণ্ডে অভিযুক্ত দুই বিজেপি বিধায়ক। অভিযুক্ত বিধায়ক শঙ্কর চৌধুরির `আই প্যাড`টি পরীক্ষা করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তাতে আদৌ কোনও অশ্লীল ছবির সন্ধান মেলেনি। এদিন রাজ্য বিধানসভার স্পিকার গণপত ভাসাবা ফরেন্সিক রিপোর্ট উদ্ধৃত করে জানিয়েছেন, `আই প্যাড`-এ মোট ৪০০০টি ছবি এবং ১১টি ভিডিও ক্লিপিংস-এস সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তার কোনওটিই অশ্লীল বা অশোভন নয়। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা শঙ্কর চৌধুরি এবং অপর অভিযুক্ত বিধায়ক জেঠা ভারওয়াদকে সমস্ত অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গত ২১ মার্চ গুজরাট বিধানসভার অধিবেশন কক্ষের ভিতর ট্যাবলেটে অশ্লীল ছবি দেখার অভিযোগ ওঠে বিজেপি`র দুই বিধায়ক শঙ্কর চৌধুরী এবং জেঠা ভারওয়াদের বিরুদ্ধে। বিধানসভার মিডিয়া গ্যালারিতে বসে থাকা এক সাংবাদিক প্রথমে বিষয়টি স্পিকারের নজরে আনেন। এর পরই বিরোধী শিবিরের প্রবল শোরগোলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।

জানা গিয়েছে, ২ বিজেপি বিধায়ক যখন অশ্লীল ছবি দেখছিলেন, তখন রাজ্যের জলসম্পদ দফতরে বাজেটে আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছিল বিধানসভায়। ওই সাংবাদিকের দাবি, শঙ্কর চৌধুরী তাঁর ট্যাবলেটটি ভরওয়াদকে দেখাচ্ছিলেন। প্রথমে তাঁরা স্বামী বিবেকানন্দের ছবি দেখছিলেন। তারপর কার্টুন দেখছিলেন। এরপরই অশ্লীল ছবি দেখতে শুরু করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর শঙ্কর চৌধুরির `আই প্যাড`টি বাজেয়াপ্ত করে পুরো ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন স্পিকার গণপত ভাসাবা।

যদিও রাজ্য বিজেপি`র তরফে সেদিনই ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যে ও সাজানো অভিযোগ করা হয়। এর পিছনে কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলেও দাবি করে মোদী শিবির। এদিন ফরেন্সিক রিপোর্ট-এর রায় নিশ্চিতভাবেই অনেকটা স্বস্তি দিল বিজেপি`কে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কর্নাটক বিধানসৌধ ভবনে অশ্লীল ছবি দেখার অভিযোগ উঠেছিল ৩ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে। মিডিয়ার ক্যামেরায় তিন বিধায়কের কুকীর্তি ধরা পড়ার পরই তাঁদের সাসপেন্ড করেন কর্নাটক বিধানসভার স্পিকার কে জি বোপাইয়া।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।