ক্ষতির মুখে বর্ধমানের আলু চাষিরা

Update: December 31, 2012 11:57 IST

সঙ্কটের মুখে শস্যগোলা বর্ধমান। ঘন কুয়াশার কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে শীতকালীন সব্জির ফলনে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আলু চাষের। ইতিমধ্যে বহু জায়গায় আলু গাছে রোগ দেখা দিতে শুরু করেছে। এভাবে দিনের পর দিন কুয়াশার প্রকোপ চলতে থাকলে চরম ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।      

রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো শীতের কামড়ে কাঁপছে বর্ধমানও। তার ওপর উপরি পাওনা ঘন কুয়াশা। প্রতিদিনই প্রায় দুপুর পর্যন্ত চলছে কুয়াশার দাপট। এর জেরে কার্যত মাথায় হাত কৃষকদের। কারণ কুয়াশার কারণে ক্ষতি হচ্ছে ফসলের। বিশেষ করে আলু চাষ বড়সড় ক্ষতির মুখে। মেমারি, জামালপুর, রায়না সহ বহু এলাকায় শীত পড়তেই আলুচাষ শুরু হয়ে যায়। অন্যদিকে, আউশগ্রামস খণ্ডঘোষ, গলসী সহ অন্যান্য জায়গায় চাষ হয় বেশখানিকটা দেরিতে। যেসমস্ত এলাকায় শীতের শুরুতে চাষ হয়েছে, মূলত সেখানেই সমস্যা বেশি বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। রোগ দেখা দিতে শুরু করেছে আলু গাছে।    
 
সার থেকে বীজ, সবকিছুর দাম আকাশছোঁয়া। এত খরচের পর আলুর ফলন এভাবে নষ্ট হতে বসায় স্বভাবতই ক্ষতির চিন্তায় দিশেহারা কৃষকরা। বিভিন্ন সংক্রামক রোগ আটকাতে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে কীটনাশক কিনে তা জমিতে ছড়াচ্ছেন কৃষকরা। ফলে ক্রমেই আরও বাড়ছে উত্‍পাদন খরচ। কিন্তু এতকিছুর পরও ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।    

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।