১০ জানুয়ারি মহাকরণ অভিযানের ডাক কংগ্রেসের

Update: December 9, 2012 19:06 IST

লালগড়, তেহট্টের পর এবার `মহাকরণ চলো`র ডাক দিল কংগ্রেস। পুলিসের গুলিচালানো ও রাজ্য সরকারের চরম ব্যর্থতার প্রতিবাদে, আগামী ১০ জানুয়ারি কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান। তেহট্টে পুলিসের গুলি চালানোর ঘটনায়, ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন দীপা দাশমুন্সি-প্রদীপ ভট্টাচার্যরা।

যেন একটু অনুমতির অপেক্ষায় বসে ছিলেন সকলে। এআইসিসির কাছ থেকে সেই অনুমতি আসতেই, পূর্ণ শক্তিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক অভিধান থেকে কড়া কড়া শব্দ বাছাই করে কর্মীদেরকে চাঙ্গা করতে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব যেন মরিয়া।

শনিবার লালগড় অভিযান করেছে কংগ্রেস। গুলি চালানোর প্রতিবাদে রবিবার তেহট্ট চলোর ডাক। এরপর ১০ জানুয়ারি সকলকে নিয়ে মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। এদিন দীপা দাশমুন্সি বলেন, "আমরা মহাকরণ অভিযান করব। আমরাও তৃণমূল সরকারের কংগ্রেসের ক্ষমতা বুঝিয়ে দেব।" সেইসঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে `ত্রিমুখী শক্তির` বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দলীয় কর্মীদের তৈরি থাকতে বলেন তিনি।

তেহট্টে পুলিসের গুলি চালানোর পরেই ছুটে এসেছিলেন দীপা দাশমুন্সি। কিন্তু, সেবার তাঁকে ঢুকতে দেয়নি পুলিস। রবিবার শুধু তেহট্টে জনসভাই করা নয়, আহত ও নিহতদের বাড়ি গিয়ে পরিবারের লোকেদের হাতে অর্থ সাহায্যও তুলে দেন তিনি। তেহট্টে সমাবেশের মঞ্চ থেকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনেও জোরদার লড়াইয়ের কথা ঘোষণা করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেসের ডাকে তেহট্টের সমাবেশে ছিল রীতিমতো উপচে পড়া ভিড়। আর ছিলেন কংগ্রেসের প্রায় সব স্তরের নেতারা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।