বন্দর তরজা চড়া হচ্ছে তৃণমূল-কংগ্রেসে

Update: October 30, 2012 21:58 IST

রাজ্যে শিল্পের পরিবেশ নষ্ট হলে শিল্প আসবে কীভাবে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য। রাজ্যকে শিল্পমুখী করার দাবিতে কংগ্রেস পথে নামছে, সেকথাও স্পষ্ট করে দেন তিনি। এই ইস্যুতেই আগামী ৮ নভেম্বর রানি রাসমণি রোডে গণ অবস্থানের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস।

প্রদেশ কংগ্রেসের এই মন্তব্যেই হলদিয়া বন্দর নিয়ে প্রকাশ্যে চলে এল কংগ্রেস তৃণমূল-কংগ্রেস রাজনৈতিক তরজা। হলদিয়ার বন্দরের অচলাবস্থা ধামাচাপা দিতে মুখ খুললেন মখ্যমন্ত্রী। আর একইদিনে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য বললেন, হলদিয়া বন্দরে অশান্তির পরিবেশের জন্য আসছে না বিনিয়োগ। বন্দর ছাড়ছে শিল্পপতিরা।

এদিনই তৃণমূল ভবনে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী বন্দরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেন। প্রচুর পরিমাণে আসছে বিনিয়োগও। পাশাপাশি হলদিয়া বন্দরে তিন এবিজি কর্তার অপহরণের ঘটনাকেও সম্পূর্ণ সাজানো ঘটনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।