সংসদে ফটো সেশন, জানতেনই না অর্থমন্ত্রী

Update: May 16, 2012 15:07 IST

রাজ্য সরকারের বর্ষপূর্তি উত্সবের সমালোচনায় মুখর হলেন মহাশ্বেতা দেবী। প্রবীণ সাহিত্যিক মনে করেন, রাজ্যে উন্নয়নের অনেক কাজ বাকি। ঘটা করে উত্সব পালন না-করে সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের ওপরেই জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। রাজ্য সরকারের হকার নীতিরও সমালোচনা করেছেন মহাশ্বেতা দেবী। গত বছর ২১ জুলাই ব্রিগেডে মহাশ্বেতা দেবীর পায়ে হাত দিয়ে নতুন সরকারের পথ চলার সূচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃষ্টি ভেজা মঞ্চে বসে সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর দরাজ প্রশংসা করেছিলেন মহাশ্বেতা দেবী।
 
কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই দুজনের সম্পর্কে ছন্দপতন। এপিডিআরের সভার অনুমতি না-মেলায় সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এক সময়ের পরিবর্তনপন্থী বিদ্বজনেরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনায় সেদিন পুরোভাগে ছিলেন মহাশ্বেতা দেবী।
 
এরপর থেকে সময় যত এগিয়েছে, ততই বেড়েছে দুজনের মধ্যে দূরত্ব। জঙ্গলমহল থেকে যৌথবাহিনী প্রত্যাহার সহ সংবাদপত্রে ফতোয়ার মতো একাধিক বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মহাশ্বেতা দেবী। ঠিক তেমনই হলেন মঙ্গলবার। হকার সংগ্রাম কমিটির একটি অনুষ্ঠানে প্রবীণ লেখিকা জানালেন, এক বছর পূর্তি ঘিরে সরকার যে উত্সবের আয়োজন করেছে তার কোনও প্রয়োজন ছিল না। রাজ্য সরকারের হকারনীতিরও সমালোচনা করেছেন মহাশ্বেতা দেবী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।