জঙ্গিপুরে দাঁড়াতে চেয়ে অধীরকে চিঠি প্রণব-পুত্রের

Update: July 24, 2012 12:31 IST

জঙ্গিপুর লোকসভা আসনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে বহরমপুরের সাংসদ ও মুর্শিদাবাদের জেলা কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে চিঠি দিলেন প্রণব মুখার্জির পুত্র অভিজিত্‍ মুখার্জি। প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর নির্বাচিত লোকসভা কেন্দ্র জঙ্গিপুর আসনটি খালি হয়েছে।  ২০০৪ এবং ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে এই আসন থেকে জিতেই সংসদের নিম্নকক্ষে গিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।

বাবার ছেড়ে দেওয়া জঙ্গিপুর থেকেই সাংসদ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছে প্রকাশ করে জেলা কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছেন অভিজিত্‍‍ মুখার্জি। তাঁর সঙ্গে ফোনেও কথা হয়েছে অধীর চৌধুরীর। দিল্লি রাজি হলে তাঁর এবিষয়ে কোনও আপত্তি নেই বলে প্রণব-পুত্রকে জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। প্রসঙ্গত, গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সেল (স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড)-এর জেনারেল ম্যানেজার (কর্পোরেট অ্যান্ড সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসের সদস্যপদ গ্রহণ করেন অভিজিত্ মুখার্জি‍। নিজের জেলা বীরভূমের নলহাটি কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়ায়ে জয়লাভও করেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:1

অধীর চৌধুরীর জেলা জঙ্গিপুর লোকসভা আসনে কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিত্ মুখার্জি!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।