প্রেসিডেন্সিতে অধ্যাপক নিয়োগের জট, সরকারের দ্বারস্থ কর্তৃপক্ষ

Update: September 1, 2012 20:32 IST

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের `ফ্যাকাল্টি` পদে বিদেশি অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা কাটাতে রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এবিষয়ে ইতিমধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে কথা বলেছেন মেন্টর গ্রুপের সদস্যরা। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন বলে জানানো হয়েছে।   

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতির প্রোফাইলে যোগ হতে চলেছে নতুন মাত্রা। এমনটাই দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। শনিবার প্রেসিডেন্সি কাউন্সিলের বৈঠক বসে। এতে উপস্থিত ছিলেন মেন্টর গ্রুপের সদস্যরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের `ফ্যাকাল্টি`তে বেশকিছু নতুন মুখ আসতে চলেছে বলে বৈঠক শেষে ঘোষণা করা হয়। তবে জটিলতা তৈরি হয়েছে স্থায়ী পদে বিদেশি অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে। বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে নাগরিকত্ব সমস্যা।
  
philosophy ও sociology বিভাগে নিয়োগ হতে চলা দুই বিদেশি অধ্যাপকের নাম এদিন ঘোষণা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত, অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কৃতীরা প্রেসিডেন্সির ফ্যাকাল্টিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে।
 
ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন `ফ্যাকাল্টি` পদে পয়ষট্টি জনের মনোনয়নের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। পুজোর পর এই সংখ্যা একশোয় দাঁড়াবে বলে মেন্টর গ্রুপের আশা।  
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।