সিউড়ি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র রাষ্ট্রপতির গলায় শিক্ষার মান নিয়ে আশঙ্কা

Update: December 19, 2012 19:44 IST

দেশে শিক্ষার গুণগতমান নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজের প্রাক্তন ছাত্র তিনি। আজ ওই কলেজে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন,২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্নাতকস্তরে পাঠরত ২ কোটি ৬০ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। কিন্তু গবেষণায় যুক্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা এক লক্ষেরও কম। ফলে গবেষণাতেও পিছিয়ে পড়ছে দেশ।  শিক্ষাক্ষেত্রে  সামাজিক কাজের জন্য কর্পোরেট সেক্টরগুলির প্রশংসা করেন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।