জটিল জটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

Update: June 13, 2012 21:58 IST

কী ভাবে রাইসিনা হিলে পৌঁছবেন কোনও প্রার্থী। হিসেবটা মোটেও সহজ নয়। মমতা ও মুলায়ম একজোট হওয়ার পর আরও জটিল হয়েছে সেই সমীকরণ।

রাইসিনা হিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছনোর ম্যাজিক সংখ্যা ৫,৪৯,৪৪২

কে কোথায় দাঁড়িয়ে?
ইউপিএ-র মোট ভোট ৪,৬০,১৯১
মুলায়ম সিংয়ের সমাজবাদী পার্টির রয়েছে ৬৮, ৮১২ ভোট
মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টির রয়েছে ৪৩,৩৪৯ ভোট

অর্থাত্‍ সমাজবাদী পার্টি ও বিএসপিকে মিলিয়ে ইউপিএর সংখ্যা দাঁড়ায় ৫,৭২,৩৫২। সেক্ষেত্রে রাইসিনে হিলে সহজেই পৌঁছে যাবে ইউপিএ প্রার্থী।

কিন্তু এই মুহুর্তে সেই স্বপ্নে বাধ সেধেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির অবস্থান। তৃণমূলের রয়েছে ৪৮,০৪৯ ভোট। ইউপিএ প্রার্থীর থেকে একধাক্কায় কমে গেল সমাজবাদী পার্টির ও তৃণমূল কংগ্রেসের ১,১৬,৮৬১টি ভোট

মমতা এবং মুলায়ম সিং জোটের প্রার্থী তিন জন। দেখা যাক তাঁদের পক্ষে কত ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?

শেষপর্যন্ত এ পি জে আবদুল কালাম প্রার্থী হলে নিশ্চিতভাবেই বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ জোট তাঁকে সমর্থন করবে। সেক্ষেত্রে এ পি জে আবদুল কালামের পক্ষ ভোট দাঁড়াচ্ছে,

এনডিএ-র ৩,০৪,৭৮৫টি ভোট
তৃণমূলের ৪৮,০৪৯ ভোট
বিএসপির ৪৩,৩৪৯ ভোট
আর্থাত্‍ মোট ভোট ৪,৬৪,৯৯৫

এরপরেও কালাম পিছিয়ে থাকছেন ৮৪,৪৪৭ ভোটে। মমতা এবং মুলায়ম সিং মনে করছেন, এই সমীকণের বাইরেও বিভিন্ন ছোট দলগুলির সমর্থনে ভোটের এই ফারাক মিটিয়ে নেওয়া যাবে। কারণ এনডিএ বা ইউপিএ কোনও পক্ষেই নেই এমন ভোটের সংখ্যা দেড় লক্ষের বেশি।
 
     

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।