বীরাপ্পনের চার সহচরের প্রাণভিক্ষাও খারিজ করলেন রাষ্ট্রপতি

Update: February 13, 2013 19:59 IST

ছাব্বিশ এগারোয় আজমল কাসাভ; সংসদ হানায় আফজল গুরু। দু`জনের ফাঁসির আদেশ বহাল করার পর ফের আরেক বার কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। কুখ্যাত চন্দন দস্যু বীরাপ্পনের চার সহযোগীর প্রাণ ভিক্ষার আবেদন বুধবার খারিজ করেন রাষ্ট্রপতি।

কর্ণাটকে ল্যান্ডমাইন্ড বিস্ফোরণে অভিযুক্ত চার বীরাপ্পন সহচরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। অভিযুক্তের তরফের আইনজীবী এস বালমুরুগান বলেন, "বিশ্বস্ত সূত্রে আমরা জেনেছি, রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত বেলগাউম জেল কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।" এই সিদ্ধান্তের কথা আসামীদেরও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন বালামুরগান।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের অক্টোবরেই তামিলনাড়ুতে পুলিসি এনকাউন্টারে মারা যান বীরাপ্পন। তাঁর চার সহযোগী জ্ঞানপ্রকাশম, সিমন, মীসেকর মাদাইয়া এবং বিলাভেন্দ্রনকে ২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসে ফাঁসির আদেশ শোনায় সুপ্রিম কোর্ট। ১৯৯৩-এ কর্ণাটক সীমান্তে যে ল্যান্ডমাইন্ড বিস্ফোরণ হয়, তাতে প্রাণ হারান ২১ জন পুলিসকর্মী। ওই ঘটনায় মাস্টার মাইন্ড ছিলেন এই চার কুখ্যাত দুষ্কৃতী।

Post Your Comment

Total Comments:5

He know the Rules & Responsibilities of the President of India

Bharoter Pratham Bangali Rastraprati r Driroh o Sathik Sidhanto Grohon a bangali hisabe ami Garbito. Thank you Mr. President.

For the first time we got a president,who can take such a decision which make us safe and secure. Hopefully,the country will be criminal free.

fansi diya anyakari ke ses kara jay anya ses hayna.

Tahole Ki bhabe Anyakari ke ses kora jay.rosogolla khaiye ? Na sursuri diye ?

  • Sougata
  • Posted: 2/14/2013 9:57:19 AM

Sursuri tai better hobe bole mone hochche..

Ekdom thik.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।