শীতের শেষে সবজির দাম ঊর্দ্ধমুখী

Update: February 6, 2013 14:06 IST

ফের দাম বাড়ছে পেঁয়াজের। কেজি দরে পেঁয়াজের দাম এ সপ্তাহে বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ থেকে ছয় টাকা। সেই সঙ্গে শীতের সবজির দামও ক্রমশ ঊর্ধমূখী। 

শীত কমতে না কমতেই মধ্যবিত্তের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। তবে আবহাওয়া নয়, চিন্তার কারণ সবজির ঊর্ধমুখী দাম। জ্যোতি আলু থেকে পটল, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে অনেকটাই বেড়েছে দাম। তবে সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছে পেঁয়াজ।

গত সপ্তাহেই ২৫ থেকে ২৮ টাকা কিলো দরে বিকিয়েছে পেঁয়াজ। চলতি সপ্তাহে সেই দামই এক লাফে বেড়ে গিয়েছে ৫ থেকে ৬ টাকা। কিন্তু হঠাত্‍ কেন অগ্নিমূল্য পেঁয়াজ?

একবার চোখ বোলানো যাক বাজারদরে।  

জ্যোতি আলু-১০ থেকে ১২ টাকা। কেজি প্রতি বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা।

চন্দ্রমূখী আলু-১২ থেকে ১৪ টাকা।

পেঁয়াজ-৩০ থেকে ৩২ টাকা। কেজি প্রতি ৫ থেকে ৮ টাকা বেড়়েছে।

কাঁচালঙ্কা-৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহের তূলনায় দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

কেজি প্রতি পটলের দাম তিন টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পনেরো টাকা।

কড়াইশুঁটি কিনতে এসপ্তাহে খরচ করতে হবে ১৫ থেকে ১৮ টাকা। 

বাড়তে থাকা এই সবজির দামে কবে লাগাম পড়বে আপাতত তারই অপেক্ষায় মধ্যবিত্ত।
 

Post Your Comment

Total Comments:6

aivabe diner por din price rise hole sobai mrittur mukhe chole jabe eta bojha uchit sakoler.

aivabe diner por din price rise hole sobai mrittur mukhe chole jabe eta bojha uchit sakoler.

দিদি মাটি উৎসবের পর একটা ``পেঁয়াজ উৎসব`` হোক ।

দিদি মাটি উৎসবের পর একটা ``পেঁয়াজ উৎসব`` হোক ।

Do some thing Mrs. Banerjee all commodities market price will growing.

sir amartya sen told that..for developing india fdi should come....there is no problem if the mango people dies....so what will happend if onion price is increase...it for developing india....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।