মলদ্বীপ পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী

Update: November 9, 2011 11:51 IST

দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যের পথ প্রশস্ত করার বার্তা নিয়ে মালেতে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নমোহন সিং। এদিন বিমানে ওঠার আগে দিল্লিতে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে ৭ রেসকোর্স রোড়ের বাসিন্দা জানান, সার্কভুক্ত দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন বাড়ানোর স্বার্থেই বিধিনিষেধ শিথিল করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ দুপুরে মলদ্বীপের রাজধানী মালে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে এসেছেন বিদেশমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা। সার্ক সম্মেলনের মাঝেই বৃহস্পতিবার পাক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক পার্শ্ববৈঠকে বসবেন মনমোহন সিং। বৈঠক হওয়ার কথা দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রীদেরও। ভারতকে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের মর্যাদা দেওয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ জটিলতা এখনও কাটেনি। কাশ্মীর প্রসঙ্গের পাশাপাশি ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সেই বিষয়টিও আলোচনায় উঠতে আসতে পারে। মালে-তে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও বৈঠকে বসবেন মনমোহন সিং। তিস্তা জলবন্টন চুক্তি নিয়ে জটিলতা দূর করতে ওই বৈঠক সাহায্য করবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।