মাইক বাজানোর প্রতিবাদ, নিজের এলাকাতেই হেনস্থা মহিলাকে

Update: August 16, 2012 16:00 IST

মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করায় পুলিসের সামনেই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে হেনস্থা হতে হল এক মহিলাকে। ঘটনাটি ঘটেছে বালিগঞ্জের ডোভার টেরেসে। শুধু তাই নয়, মহিলার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ। মহিলার অভিযোগ, আগে জানালেও ঘটনার ৮ ঘণ্টা পর পুলিস দুজনকে গ্রেফতার করে। আর এরপর থেকেই স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের নাম করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

মাইক বাজানোর প্রতিবাদে ১০০ নম্বর ডায়াল করে শব্দদূষণের অভিযোগ জানিয়েছিলেন ডোভার টেরেসের বাসিন্দা রুমা হালদার। জানিয়েছিলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জোরে মাইক বাজাচ্ছেন। কিন্তু গড়িয়াহাট থানার তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এরপর থানায় গিয়ে পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ায় ফেরেন রুমাদেবী। তখন পুলিসের সামনে তাঁকে ঘিরে ধরে কয়েকজন হুমকি দিতে থাকে। রুমাদেবীকে থানায় সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিস। আর তখনই মহিলার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ।

পরে রুমা হালদারকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়ে যায় পুলিস। গ্রেফতার করা হয় এলাকার বাসিন্দা মনোজিত্‍ চৌধুরী এবং গৌরব দাসকে। আর এই গ্রেফতারের পর থেকে  স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর দেবাশিস কুমারের নাম করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁর বাবাকেও। যদিও দেবাশিস কুমার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করলেও পুলিসের সক্রিয়তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ধৃতদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া, মারধর করা এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:1

eman ghatana to pray ghatChhe . polish to badhir . political leader der hukum chhara se kichhu sunte pay na .

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।