সিঙ্গুরে জমি ফেরাতে নতুন আইন, ঘোষণা পূর্ণেন্দুর

Update: December 18, 2012 16:22 IST

সুপ্রিমকোর্টে হেরে গেলে সিঙ্গুরের জমি ফিরিয়ে দিতে বিধানসভায় নতুন আইন পাস করাবে সরকার। সিঙ্গুরের শহীদ দিবসের সভামঞ্চ থেকে অনিচ্ছুক কৃষকদের এই আশ্বাস দিলেন শ্রমমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।   তবে শহীদ দিবসের অনুষ্ঠান মঞ্চে দেখা যায়নি সিঙ্গুরের বিধায়ক ও প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে।  সিঙ্গুরে জমি ফিরিয়ে দিতে সরকারের পদক্ষেপে কার্যত অনাস্থার কথাই জানিয়েছেন তিনি। 

সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনকে অন্যতম হাতিয়ার করে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল।  ক্ষমতায় এসে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বারবারই আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের। মঙ্গলবার সিঙ্গুরে শহিদ দিবসে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে ফের আশ্বস্ত করেন শ্রমমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলে বিধানসভায় নতুন আইন পাস করে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফেরত দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

 
তাপসী মালিকের মৃত্যুর স্মরণে শহিদ দিবসে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মন্ত্রীদের দেখা গেলেও শহিদ দিবসের সভামঞ্চে দেখা যায়নি সিঙ্গুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে। তবে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফেরতের প্রশ্নে শ্রমমন্ত্রীর ঘোষিত আশ্বাসের বিরোধিতাই করেছেন প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী।

শহিদ দিবসে বড়সড় জমায়েত অবশ্য চোখে পড়েনি। শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে এদিন জমি ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে অনিচ্ছুক কৃষকদের আশ্বস্ত করেন তৃণমূলের অন্যান্য মন্ত্রীরাও। অনুষ্ঠান মঞ্চে হাজির ছিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি থেকে পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র সহ জেলাস্তরের অন্যান্য নেতৃত্বও।







Post Your Comment

Total Comments:6

পূর্ণেন্দু বাবু মন থেকে একটা কথা বলুন তো, আপনি ইচ্ছুক না অনিচ্ছুক ? আসলে আপনাদের পার্থ বাবু কিন্তু মনে মনে ইচ্ছুক । ইয়ার্কি মারছিনা। মালটা এখন ভাবছে একটা ইন্ডাস্ট্রিও তো আনতে পারলাম না ... যদি সিঙ্গুর টা করা যেত..। কিন্তু এই কথা আমি দিদি কে বলে দিইনি। আপনারটাও বলব না বলুন না মাইরি...।

MAMATABANERJEER MONTRISOVAI SOB THEKE DHANDABAG LOK AMADER LABOUR MINISTER. NAKSAL THEKE EKABARE TRINOMUL,TARPORE ABAR MONTRI.ONER MEYER BIYER KHAROCH KOTO HOYE CHILO? ELAKAI GIYE KAN PATUN SUNBEN KOMKORE PANCHAS LOKHYO TAKA KHAROCH KORE CHILEN.CHUPI CHUPI DOLASENKE GIGYASA KORLE UNI EKI KATHA BOLBEN.

Hello, Dear Labour Minister - You are not the sole authority to form new law for Singur land. Have you any idea about new Land acquisition laws? Please, don`t be a liar again. It is beyond your Govt`s capacity and I think not feasible. You are a false promiser. Therefore go and hide your face if you feel ashamed.

Hello, Dear Labour Minister - You are not the sole authority to form new law for Singur land. Have you any idea about new Land acquisition laws? Please, don`t be a liar again. It is beyond your Govt`s capacity and I think not feasible. You are a false promiser. Therefore go and hide your face if you feel ashamed.

পূর্ণ রাজারহাটে তোলাবাজী ছেড়ে সিঙ্গুরে এসেছে কারণ দেখছে বেচা,মদন সব ভাগ মেরে দিচ্ছে! তাছাড়াও দেখাচ্ছে, দিদির নজরে থাকতে হলে একটু সিঙ্গুর চটকাতে হবে! ওটাই তো দিদি তথা তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার আতুঁড়ঘর! সিঙ্গুরের মানুষকে যত ইচ্ছা ভাঁওতা দেওয়া যায়! চাষাভূষোর দল সব। পরে তো বলাই যাবে কী করব, কোর্ট বাধা দিচ্ছে।

পুরনেন্দু বাবু আপনি কি কেন্দ্রিয় সরকারের নুতন জমি আইনটা পরে দেখেন নি ? আমরা সাধার লোক হিসাবে সংবাদ মাদ্যমে বা TV তে জানতে পারি তাকে আপনি কি জেনে ও কৃষক দের পঞ্চায়েত নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য মিথ্যা বলছেন? আপনি কি পারবেন নুতন আইন প্রনয়ন করে জমি ফেরত দিতে? পারবেন না সুতরাং জনগণকে আগে জেই ভাবে প্রলভন দিয়ে সরকার গথন করেছে এইবার তা হবে না ।হবে আপনাদের বাহিনিকে লেলিয়ে দিয়ে জনগঙ্কে ভয় দেখিয়ে পঞ্চায়েত দখল করা ।কিন্তু আখেরে ফল শুন্য।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।