পাইলিনের দাপটে বিপর্যস্ত ওড়িশা, এখনও জলমগ্ন বহু এলাকা, বিদ্যুতহীন সাতটি জেলা, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

ঘূর্ণিঝড় পাইলিনের দাপটে বিপর্যস্ত ওড়িশা।  আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বেশ কয়েকটি এলাকা এখনও জলের তলায়। পুরী, জগজ্জীনপুর, গঞ্জাম, খুদড়াসহ সাতটি জেলায় বিদ্যুতহীন। বিদ্যুত না থাকায় পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে এই সমস্ত জেলাগুলিতে। মঙ্গলবারের আগে বিদ্যুত ফেরার সম্ভাবনা নেই  বলে প্রশাসনসূত্রে খবর।

Updated: Oct 14, 2013, 10:13 AM IST

ঘূর্ণিঝড় পাইলিনের দাপটে বিপর্যস্ত ওড়িশা।  আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বেশ কয়েকটি এলাকা এখনও জলের তলায়। পুরী, জগজ্জীনপুর, গঞ্জাম, খুদড়াসহ সাতটি জেলায় বিদ্যুতহীন। বিদ্যুত না থাকায় পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে এই সমস্ত জেলাগুলিতে। মঙ্গলবারের আগে বিদ্যুত ফেরার সম্ভাবনা নেই  বলে প্রশাসনসূত্রে খবর।
শুরু হয়েছে দূরপাল্লার  ট্রেন চলাচল। খুলে দেওয়া হয়েছে বেশিরভাগ রাস্তাও। জলোচ্ছ্বাস থাকায় মতস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। গতকাল বৃষ্টিতে পুরীর ব্রহ্মগিরিতে এক বৃদ্ধার এবং সদর এলাকায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুরাবঙ্গ নদীতে জল বাড়ায় বালেশ্বরে কাছে পাঁচ নম্বর জাতীয় সড়ক জলের তলায় চলে গেছে। বালেশ্বরের কাছে জাতীয় সড়কের টোলপ্লাজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোনও গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পার্শ্ববর্তী ১০টি গ্রাম জলমগ্ন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামানো হয়েছে ওড়িশা ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সকে।
ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে ব্যাপক ক্ষতক্ষতি চালানোর পর সাইক্লোন পাইলিন এখন অনেকটাই দুর্বল। শক্তি হারিয়ে সে এখন নিম্নচাপে পরিণত।  রবিবার রাতে তার অবস্থান ছিল ছত্তিসগড়ের উত্তরাঞ্চলে। এছাড়া ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের কিছুটা অংশের উপরও ঘনীভূত ছিল নিম্নচাপ। যার প্রভাবে এই তিন জেলায় ঘণ্টায় পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চান্ন কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
তারা আরও জানিয়েছে যে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বিহারের উত্তর থেকে উত্তর পশ্চিমের দিকে সরে যাবে সাইক্লোন পাইলিন। যার জেরে বিহারে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জারি হয়েছে বন্যা সতর্কতাও। ভারি বৃষ্টির ফলে ঝাড়খণ্ডেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। বাহাত্তর ঘণ্টা পরে পাইলন নেপালের দিকে সরে যাবে বলে অনুমান মৌসম ভবনের