আর পি সিং-এর বক্তব্য নিয়ে যুযুধান কংগ্রেস-বিজেপি

Update: November 24, 2012 19:52 IST

টুজি কাণ্ডে বিজেপিকে কোণঠাসা করার সুযোগ হারাতে রাজি নয় কংগ্রেস। সিএজি-র প্রাক্তন আধিকারিক আর পি সিংএর বক্তব্যকে হাতিয়ার করে আজ  মুরলী মনোহর যোশীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কংগ্রেস নেতা মনীশ তেওয়ারি। টুজি স্পেকট্রাম বণ্টন নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি তুলতে পারে ডিএমকে। উল্টোদিকে,  এই ইস্যুতে কংগ্রেসকে এক ইঞ্চি জমিও যে ছাড়াতে নারাজ বিজেপি, তা আজ স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের মুখপাত্র নির্মলা সীতারামন।

ঠিক কত টাকা ক্ষতি হয়েছিল স্পেকট্রাম বণ্টন কাণ্ডে? সিএজি-র প্রাক্তন আধিকারিক  আর পি সিং দাবি করেছেন, এক লক্ষ ৭৬ হাজার কোটি টাকা নয়, প্রাথমিক রিপোর্টে ক্ষতির পরিমাণ দেখানো হয়েছিল দু`হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা। তাঁর আরও দাবি, সিএজি বিনোদ রাইয়ের নির্দেশে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন সংশোধিত রিপোর্টে সই করতে। আর পি সিং মুখ খোলায়  জড়িয়ে গিয়েছে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান মুরলী মনোহর যোশীর নাম। তাই সময় নষ্ট না করে টুজিকাণ্ডে কোণঠাসা কংগ্রেসের ভাবমূর্তি উদ্ধারের চেষ্টায় ময়দানে নেমে পড়েছেন দলের নেতারা। সিএজিকে তোপ দেগেই থেমে থাকেনি কংগ্রেস। নাম না করে পাবলিক অ্যাকাউন্স কমিটির চেয়ারম্যানকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

তবে কংগ্রেসকে জমি ছাড়তে রাজি নয় বিজেপি। দুর্নীতিতে জর্জরিত ইউপিএ সরকার কীভাবে সিএজির মতো সাংবিধানিক সংস্থার দিকে আঙুল তোলে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিরোধী দল।

বিরোধী শিবির যাই বলুক না কেন, ইতিমধ্যেই নিজেদের ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেস। এনিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানাতে পারে ডিএমকে। বিজেপির অবশ্য পাল্টা দাবি, কংগ্রেসের চাপেই অবসরের পর বিভ্রান্তিকর তথ্য সামনে এনেছেন আর পি সিং।

Post Your Comment

Total Comments:1

chorer ma er abr bro gala sbi to cngrss r kena r kta des tk lutbi re

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।