ধৃত রাঘবই বিট্টি, নিশ্চিত পুলিস

Update: March 14, 2013 11:01 IST

ধৃত ব্যক্তিই যে বিট্টি মোহান্তি সেই বিষয়ে তাদের হাতে উপযুক্ত প্রমাণ রয়েছে বলে জানাল কেরল পুলিস। বৃহস্পতিবার বিট্টি মোহান্তি সন্দেহে গ্রেফতার ব্যক্তির ভাড়া বাড়িতে তল্লাসি চালিয়ে তার বাবা ওডিশা পুলিসের প্রাক্তন ডিজিপি বিবি মোহান্তির পরিচয় পত্র সংগ্রহ করেছে পুলিস। এছাড়াও সন্দেহজনক কিছু কাগজপত্র, প্রিন্টার ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া নথির সঙ্গে বিট্টি মোহান্তির নতুন পরিচয় রাঘব রাজনের মিল রয়েছে। সংগৃহীত নথির ভিত্তিতে গ্রেফতার রাঘব রাজনই যে বিট্টি মোহান্তি সেই বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত পুলিস।

গত ৮ মার্চ বিট্টি মোহান্তি সন্দেহে রাঘব রাজন নামক এক ব্যক্তিকে কুন্নুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিস। জানা যায় এর আগে পুট্টাপার্থিতে যেই বাড়িতে ২ বছর ধরে ভাড়া থাকতেন রাঘব, সেই বাড়ি এখনও খালি করেননি রাঘব।

২০০৬ সালে রাজস্থানের আলওয়ারে এক জার্মান মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনায় ৭ বছরের জেল হয় বিট্টি মোহান্তির। কিন্তু প্যারোলে মুক্ত হয়ে যায় পালিয়ে যায় বিট্টি। অভিযোগ, বিট্টিকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল তার বাবা। পুলিসের সন্দেহ এরপর থেকেই পরিচয় গোপন করে রাঘব রাজন নামের আড়ালে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ত্রিবাঙ্কুরে চাকরি নেয় বিট্টি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।