রাহুলের গলায় আক্ষেপ আর আত্মসমালোচনা

Update: January 20, 2013 19:34 IST

আনুষ্ঠানিকভাবে দলের দ্বিতীয় নেতা হিসাবে নাম ঘোষিত হওয়ার পর রাহুল গান্ধীর গলায় ধরা পড়ল আক্ষেপ আর আত্মসমালোচনা। চিন্তন শিবিরের শেষদিনে রাহুলের বক্তৃতায় কখনও দলের শৃঙ্খলা ফেরানোর কথা শোনা গেল, কখনও আবার গান্ধীজির কথা।


নেতৃত্ব তৈরিতে কোনওদিনই জোর দেয়নি কংগ্রেস। আর সেই কারণেই আজ জেলা থেকে ব্লক সবক্ষেত্রেই সামনে চলে আসছে নেতৃত্বহীনতা। জয়পুরে চিন্তন শিবিরের শেষদিনে এমনই আক্ষেপের সুর শোনা গেল রাহুল গান্ধীর গলায়। তাঁর মতে, দলে দ্রুত শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি।

সঙ্গে পরিবর্তনের আহ্বান রাহুল গান্ধীর গলায়। প্রশাসনিক থেকে রাজনৈতিক- সবস্তরেই আমূল সংস্কার ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। চিন্তন শিবিরের শেষদিনে এমনটাই বললেন রাহুল গান্ধী।

সংগঠনে গান্ধীজির ডিএন ভরা আছে। হিন্দুস্তানের ডিএনএ। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির থেকে কংগ্রেসকে আলাদা করতে গিয়ে আজ একথা বলেন সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, জাতপাত বা ধর্মের ভিত্তিতে অন্য রাজনৈতিক দল চললেও কংগ্রেস চলে না। কংগ্রেস গোটা দেশকে নিয়ে চলে। কংগ্রেসের ডিএনএ হিন্দুস্তান।

Post Your Comment

Total Comments:1

unaccountable system at the centre``, why don`t you talk to your mom...... ``we need 40/50 at the national level who can be PM``.... well Congress is not able to find even one, therefore they want you (who has no experience, who has done nothing notable in life, never held any post, never even been a minister at state level,,,, nothing) to become PM...... we have seen how much depth the congress has...... you cannot even find a capable home minister...... what a waste of our time......

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।