রেল বাজেটে রাজ্য পেল ৭টি নতুন ট্রেন

Update: February 26, 2013 14:30 IST

রেল বাজেটে রাজ্যের প্রাপ্তি মাত্র ৫টি দূরপাল্লার ট্রেন। কলকাতা-সীতামারি, কলকাতা আগরা, কাটিহার- হাওড়া এবং হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বাতানুকুল সাপ্তাহিক ট্রেনের ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী। ঘোষণা হয়েছে হাওড়া-চেন্নাই বাতানুকূল দ্বিসাপ্তাহিক এক্সপ্রেসের। এছাড়া শিয়ালদা-বহরমপুর কোর্ট মেমু এবং কাটোয়া-জঙ্গিপুর ডেমু ট্রেনের ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী।

সরাসরি বাড়ানো না হলেও ঘুরপথে বাড়ানো হল যাত্রীভাড়া। দূরপাল্লার প্রতিটি টিকিটের ক্ষেত্রে বসানো হচ্ছে বেশ কিছু সারচার্জ। আজ রেল বাজেট পেশ করে রেলমন্ত্রী পবন বনসল বলেন, "প্রতিটি টিকিটের ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টারি চার্জ এবং রিজার্ভেশন চার্জ বাড়বে।" তাছাড়াও ততকালের ক্ষেত্রে এবং টিকিট বাতিল করলে আগের তুলনায় বেশি চার্জ লাগবে। তবে, বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী লোকাল ট্রেনের ভাড়া বাড়ছে না। পণ্য মাশুল ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে রেল বাজেটে। অর্থ সঙ্কট মেটাতেই রেলের পণ্য মাশুল বাড়াতে হয়েছে। আজ রেল বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই একথা বলেন রেলমন্ত্রী পবনকুমার বনসল। তিনি বলেন, "টাকার অভাবে বহু জায়গায় থমকে গিয়েছে গেজ সম্প্রসারণের কাজ।"

রেল বাজেটে দেশজুড়ে ২৫টি কারখানার ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী পবনকুমার বনসল। তবে এই ২৫ টির মধ্যে মাত্র একটি প্রকল্প আসছে এ রাজ্যে। রেলমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, বহরমপুরে একটি ওয়ার্কশপ বানাবে রেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বহু রেল কারখানা ঘোষিত হয় এ রাজ্যের জন্য। তবে, তার বেশিরভাগ প্রকল্পের কাজই শুরু করা যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় ঘোষিত ৩৭ টি প্রকল্পের শিলান্যাস হলেও একটিরও ফিজিবিলিটি রিপোর্ট এখনও তৈরি করা যায়নি। কোদকর কমিটির সুপারিশ মেনে দুর্ঘটনা শূন্য ব্যবস্থা তৈরিই এই মুহূর্তে অন্যতম লক্ষ্য। রেল বাজেট পেশ করতে গিয়ে এমনটাই বললেন পবন বনসল।







Post Your Comment

Total Comments:3

Njp to tirubandaram

why long journey trains are running so late? why the cattering lunch and dinner food quality is poor position comperatevely the r.s?

Tripirar janya 1 line lekha royeche ki last rail budgete?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।