বাড়ছে না ভাড়া, জনমুখি রেলবাজেটের পথেই হাঁটছেন রেলমন্ত্রী

Update: February 25, 2013 16:54 IST

আগামিকাল সংসদে পেশ হতে চলেছে রেল বাজেট ২০১৩। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে রেলবাজেটকে জনমুখি করে তুলতে কোনও কসুর রাখতে চায় না মনমোহন সিংয়ের সরকার। বাজেট পেশের আর বাকি নেই ২৪ ঘণ্টাও। ইতিমধ্যেই বেশকিছু ইঙ্গিত মিলতে শুরু করেছে মন্ত্রক সূত্রে। জানাগিয়েছে যাত্রীভাড়ায় সরাসরি কোনও বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রেলমন্ত্রী পবন কুমার বনসল সম্প্রতি জানিয়েছিলেন ডিজেলের মুল্যবৃদ্ধিতে রেলের ভাড়া বাড়ায় রেলের আয় বেড়েছে ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

রেলে বাজেটে প্রতিবছর নজর থাকে যাত্রী সুরক্ষা ও সাচ্ছন্দে। রেলের খাবার, খাবারের মান, রেলের শৌচালয় ব্যবস্থা বিশেষ করে মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে পবন বনসল কতটা নজর দেন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। নতুন প্রকল্পের মধ্যে আরও ৮০০টি স্টেশনে সুলভ শৌচালয় তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে রেল।

টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় দালাল রাজ নিয়ন্ত্রণ করতে আঁধার কার্ডকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিচ্ছে রেল। এ প্ররসঙ্গে রেলমন্ত্রী গত সপ্তাহেই একথা জানিয়েছিলেন। সংরক্ষণ কেন্দ্রে দালাল দৌরাত্মে সাধারণ যাত্রীদের টিকিত না পাওয়ার সমস্যা অনেক দিনের। বনসল বলেন, "সাধারণ যাত্রীদের টিকিট পাওয়ার সুবিধা করে দিতে, পর্যটন সংস্থাগুলির একসাথে টিকিট সংরক্ষণের পক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।" এ বিষয়ে আধিকারিক পর্যায়ে আলোচনাও হয়েছে বলে দাবি করেন রেলমন্ত্রী। টিকিটে বার কোর্ডের ব্যবহার করে আঁধার কার্ডের উল্লেখ করার প্রযুক্তি আনার পরিকল্পনা করছে রেল।

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বেহিসেবি প্রকল্প ঘোষণা করেছেন বলে বরাবর অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এবার মমতার ঘোষিত প্রকল্পগুলির অধিকাংশেরই কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই বলে কটাক্ষ করলেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী। রেল বাজেটের ঠিক আগেরদিন এমনটাই মন্তব্য করেছেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত রেল প্রকল্পগুলি নিয়ে শীঘ্রই শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে।"







Post Your Comment

Total Comments:2

Mamta Bandyapadhyay

পাঞ্জাবী টুপি ধারি আর বিদেশী বিধবা মিলে গান্ধীজীর ভারতবর্ষকে পুরো রেন্ডি করে দিল গো। এক দিকে বাংলাদেশ, নেপাল কেও ভয় পায় ভয় পায়। দেশের মানুষ খেতে পায় না বিদেশীদের দের আর্থিক সাহায্য করে। দেশের সাধারন মানুষ যখন বাঁচাও বলে মিছিল আলোচনা সভা করে সালা টুপি ধারি পাঞ্জাবী আদেশে পুলিস হামলা করে। এখন রাহুল কে সহসাভাপতি করা হয়েছে। গান্ধী পরিবার ই সেস কথা বলবে। কারণ বাঁকি কংগ্রেস নেতারা হল কি রেন্ডির বাচ্চা।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।