রেলবাজেট ঘিরে সংশয়ে বাংলা

Update: February 23, 2013 15:34 IST

প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বাংলার জন্য ৯০ শতাংশ কাজ করে গিয়েছেন তিনি। রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীর দাবি, সবটাই ভাঁওতা। সত্যিই কি মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে, রেলকে ঘিরে বাংলার স্বপ্ন ? রেল বাজেটের আগে জল্পনা তুঙ্গে।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় আইসিইউতে চলে গেছে রেল। অভিযোগ ছিল, প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদির।

সরকারে নেই তৃণমূলও। বহুবছর বাদে ২৬ ফেব্রুয়ারি রেল বাজেট পেশ করবেন কংগ্রেসের কোনও মন্ত্রী। নতুন বাজেটে কী পেতে চলেছে বাংলা ? এর থেকেও বড় প্রশ্ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে প্রকল্পগুলির ঘোষণা করেছেন তার ভবিষ্যত কী ?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দাবি করলেও, কোনওভাবেই তা মানতে নারাজ রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী। বরং তিনি মনে করেন, অর্থহীন প্রকল্প ঘোষণা করে মানুষকে ধোঁকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।
 
তাহলে কি বাস্তবিক অর্থেই মুখ থুবড়ে পড়ল বাংলার জন্য ঘোষণা করা রেল প্রকল্পগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, নব্বই শতাংশ কাজ শেষ। অধীর চৌধুরীর দাবি, আসলে সবটাই ভাঁওতা। বাস্তব ছবি বলছে, রেলের অধিকাংশ প্রকল্পই রয়েছে এখনও বাজেট বইতেই। তাহলে আসল সত্য কী? আপাতত রেল বাজেটের দিকে তাকিয়ে সকলে। 
 

Post Your Comment

Total Comments:3

অধিরবাবু রা কি জানতেন না, যে তৃনমূল এলে এই অবস্থা হতে পারে, যা কিনা সাধারণ মানুষের ধারনায় ছিল, কিন্তু কোনো বিতর্ক সভাতেই এই প্রসঙ্গ আসেনা

অধিরবাবু রা কি জানতেন না, যে তৃনমূল এলে এই অবস্থা হতে পারে, যা কিনা সাধারণ মানুষের ধারনায় ছিল, কিন্তু কোনো বিতর্ক সভাতেই এই প্রসঙ্গ আসেনা

রেলকে শেষ করে এখন উনি পশ্চিমবঙ্গকে টুকরো করতে উদ্যত

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।