রেল বাজেট পেশ করছেন পবন বনসল

Update: February 26, 2013 11:49 IST

সংসদে ২০১৩-১৪ রেল বাজেট পেশ করছেন রেলমন্ত্রী পবন বনসল। মঙ্গলবার একগাদা নতুন ট্রেন ঘোষণা করবেন বনসল। নজরে রাখবেন যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যও এমনটাই আশা সংসদের।

দেশের মানুষ চাইছেন, রেলের পাকপ্রণালীর ও স্টেশনের পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিক রেল। রেলে সফররত মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তার দিকেও নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। বাড়ানো দরকার রেল নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যাও। আমাদের সঙ্গে কথায় এমনটাই জানিয়েছেন বিভিন্ন মেট্রো শহরের রেল যাত্রীরা।

দিল্লি: এই শহরের মানুষের আশা, বেশকিছু নতুন ট্রেন পরিষেবা পাবে রাজধানী। পর্যটনের নিরিখে অন্তত ১০০ টি নতুন ট্রেনের দাবি শহরবাসীর। প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে স্টেশন চত্তরে বিশেষ ব্যবস্থা থাকা উচিৎ বলেও মনে করছেন অনেকে।

কলকাতা: তৃণমূল ইউপিএর সঙ্গে গাঁটছড়া ভেঙেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন যে সকল প্রকল্পগুলি ঘোষণা হয়েছে তার ভবিষ্যৎ কী, তা জানতে চায় এই শহরের মানুষ। রাজ্যের প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে কিনা তাও জানতে চায় কলকাতা। যেকটি রেল কারখানার উদ্বোধন করেছেন অধুনা রেলমন্ত্রী, সেগুলিও তাড়াতাড়ি তৈরি হোক, চাইছে মানুষ।

মুম্বই: মুম্বই লোকাল ট্রেন শহরের 'লাইফ লাইন'। লোকালে ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হোক, দীর্ঘদিনের দাবি মুম্বইকরদের। ৯ কামরার গাড়ি থেকে ১২, তা এখন ১৫ কামরা করার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন নিত্যযাত্রীরা।






Post Your Comment

Total Comments:1

The number of local trains to and from Sealdah,Kolkata to be increased for safety of the daily passengers during office time. 12 compartment trains to be introduced immediately to safeguard the lives of the daily passengers. The amenities in long route mail trains are to take care while the train fares have been increased considerably. The food ,the bed rolls supplied now and security provided now are to be improved and inspected by vigilance team to monitor on a regular basis.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।