রেল বাজেট: রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিক্রিয়া

Update: March 14, 2012 18:24 IST

প্রণব মুখার্জি (কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী): রেলমন্ত্রী যা ঘোষণা করেছেন, সব ক`টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রেলের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। রেলের অপারেটিং রেশিও ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। রেলমন্ত্রী আমাকে তা ৯৮ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (সংসদে তৃণমূলের মুখ্য সচেতক): দলীয় ভাবে তৃণমূল কংগ্রেস রেলের ভাড়াবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সমর্থন করে না। ভাড়াবৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাহার করা উচিত। গরিব মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে নীতিগত ভাবে কোনও আপোষ করবে না তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রকাশ কারাট (সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক): ওদের মন্ত্রীই ভাড়া বাড়াচ্ছেন, আবার ওরাই বিরোধিতা করছে। এটা একরকমের দ্বিচারিতা।

লালু প্রসাদ যাদব (আরজেডি সুপ্রিমো): আশ্চর্যজনক ঘটনা। মূল্যবৃদ্ধিতে যখন দেশের মানুষ জেরবার, তখন এই বাজেট মানুষের ঊপর বোঝা বাড়াবে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কি মমতা বন্দোপাধ্যায় `মা-মাটি-মানুষের` মতামত নিয়েছিলেন?

রবিশঙ্কর প্রসাদ (বিজেপি নেতা): এই সরকারের বাম হাত জানে না, ডান হাত কী করছে।

ডেরেক ও`ব্রায়েন (তৃণমূল সাংসদ): উচ্চশ্রেণিতে ভাড়াবৃদ্ধি তবুও গ্রহণযোগ্য; কিন্তু সমস্ত স্তরে ভাড়াবৃদ্ধি মেনে নিতে পারছি না। আমি দুঃখিত।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল সাংসদ): মন্ত্রগুপ্তির শপথ মেনে উনি দলের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। যে কোনও রকম ভাড়া বা কর বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আমাদের দল। ওঁকে ভাড়াবৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাহার করতে বলেছি।






Post Your Comment

Total Comments:2

Hay re Bangla!

Bhara bridhi sabhabik.Eta nea rajnoeteo shavabik.Manush sobdik theke motche. Ete rajnoitik dolgulor kichu ese jai na. Indian politics er renesa dorkar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।