মাওবাদী বনধের শেষদিনে উড়ল রেললাইন

আটচল্লিশঘণ্টা বনধের শেষদিনে বিহারের রেললাইন ওড়াল মাওবাদীরা। লাতেহার জেলায় রেললাইনে বিস্ফোরণের জেরে আটকে পড়ে রাজধানীসহ বেশকিছু দূরপাল্লার ট্রেন। ঝাড়খণ্ডে রেললাইন থেকেও কৌটো বোমা উদ্ধার করেছে পুলিস। বোমাতঙ্কের জেরেও ব্যহত হয় ট্রেন চলাচল। রাঁচির কাছে গুমলায় হামলা চালিয়ে সরকারি ভবন উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা। চলে থানা লক্ষ্য করে গুলিও।

Updated: Apr 7, 2013, 07:52 PM IST

আটচল্লিশঘণ্টা বনধের শেষদিনে বিহারের রেললাইন ওড়াল মাওবাদীরা। লাতেহার জেলায় রেললাইনে বিস্ফোরণের জেরে আটকে পড়ে রাজধানীসহ বেশকিছু দূরপাল্লার ট্রেন। ঝাড়খণ্ডে রেললাইন থেকেও কৌটো বোমা উদ্ধার করেছে পুলিস। বোমাতঙ্কের জেরেও ব্যহত হয় ট্রেন চলাচল। রাঁচির কাছে গুমলায় হামলা চালিয়ে সরকারি ভবন উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা। চলে থানা লক্ষ্য করে গুলিও।
বিস্ফোরণের পরই বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয় দূরপাল্লার ট্রেনগুলিকে। সকাল নটায় রেললাইন মেরামতির পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। রবিবার ভোরে খবর পাওয়া যায় ধানবাদের আগে চৌধুরীবাঁধ-পরশনাথ মাঝের লাইনে বোমা রয়েছে। তিনটি রাজধানী এক্সপ্রেস সহ বেশ কয়েকটি ট্রেনকে বিভিন্ন স্টেশনে আটকে দিয়ে শুরু হয় তল্লাসি। রেললাইন থেকে একটি টিফিন কৌটোয় রাখা বোমা উদ্ধার করে বোম্বস্কোয়াড। ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকটি জায়গায় সরকারি ভবনে হামলা চালায় মাওবাদীরা। পালামৌ জেলার হরিহরগঞ্জের বিডি অফিসে চড়াও হয় জনাপঞ্চাশেক সশস্ত্র মাওবাদী। ডিনামাইট দিয়ে ভবনটি উড়িয়ে দেওয়া হয়। ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলার ছেনপুরেও হামলা চালিয়ে বিডি অফিস উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা। সেখানকার থানা লক্ষ্য করে গুলিও চালায় তাঁরা। যদিও ওই দুটি হামলায় কোনও হতাহত নেই বলে পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।
সাতাশে মার্চ ঝাড়খণ্ডের ছাতরা জেলায় রাতভর গুলির লড়াইয়ে নিহত হয়েছিল দশ মাওবাদী। তৃতীয় প্রস্তুতি কমিটির সঙ্গে সংঘর্ষে দলীয় সদস্যদের মৃত্যুর প্রতিবাদেই আটচল্লিশঘণ্টা বন্ধের ডাক দিয়েছিল সিপিআই মাওবাদী।