প্রসঙ্গ দুর্নীতি: মন্ত্রিত্ব খোয়ালেন পবন-অশ্বিনী

Last Updated: Friday, May 10, 2013 - 18:44

শুক্রবার সন্ধেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৭ রেস কোর্স রোডে পৌঁছন রেলমন্ত্রী পবন বনসল ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বেড়িয়ে আসার পথেই ইশারায় বনসল বুঝিয়ে দেন, মন্ত্রিত্ব খুইয়েছেন তিনি। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, "হ্যাঁ, আমি ইস্তাফা দিয়েছি।" কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন অশ্বিনী কুমারও। তবে দুই মন্ত্রীর ইস্তফা নিয়ে সরকারি ভাবে এখনও কেউই মুখ খোলেননি।
বিরোধীদের একটানা চাপের মুখেও ক্যাবিনেটের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পাশেই ছিল সরকার। কিন্তু সোনিয়া গান্ধী কখনই দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে আপোষ করতে চাননি। ফলেই কোপ পড়ল পবন-অশ্বিনীর মন্ত্রকে। এমনই ব্যাখ্যা রাজনৈতিক মহলের।
১৭ বছর পর কংগ্রেসের রেলমন্ত্রী। ধুষকাণ্ডে ঘরে বাইরে চাপের মুখে অবশেষে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিতে হল পবন কুমার বনসলকে। কর্ণাটকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব না পেলেও রেলমন্ত্রকে আসনে বসতে চলেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। রেলমন্ত্রীর পদত্যাগের কথা ঘোষণা হতে পারে কিছুক্ষণের মধ্যেই। আগামী সপ্তাহের মন্ত্রিসভার বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
রেলে ঘুষ কাণ্ডে ভাগ্নের নাম জড়িয়ে যাওয়ার পর থেকেই বিরোধীরা লাগাতার পদত্যাগের দাবি করেছেন বনসলের। ইতিমধ্যেই তদন্তে আভাস পাওয়া গেছে এই ঘুষ বিতর্কে জড়িত রেলমন্ত্রকের উচ্চপদস্থ একাধিক আধিকারিকরাও। পবন কুমারের ভাগ্নেকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে সিবিআই। রেলমন্ত্রীর নামেও চলছে জোড় ফিসফাস। এমনিতেও জোড়া বিতর্কে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে ইউপিএ সরকারের। বিরোধীদের সঙ্গেই একই ইস্যুতে কংগ্রেসের বিরোধীতায় সোচ্চার হয়েছে বর্তমানএ সরকারের বড় ভরসা মুলায়মের দলও। সূত্রে খবর, এই রকম অবস্থায় তদন্তে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেড় হওয়ার আগেই কংগ্রেস সুপ্রিমো চাইছেন পবন কুমার বনশলকে মন্ত্রিত্ব থেকেই সরিয়ে দিতে।
সিবিআই ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়ছে, চলতি সপ্তাহেই পবন বলসলকে জেরা করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঘুষকাণ্ডের তদন্তে নেমে সিবিআই হাজারটিরও বেশি ফোন কল খতিয়ে দেখেছে। সেইসব ফোনে একাধিকবার রেলমন্ত্রীর নামের উল্লেখ পেয়েছেন গোয়েন্দারা।



First Published: Friday, May 10, 2013 - 22:55


comments powered by Disqus