জল্পনা উস্কে রাজনাথের সঙ্গে দেখা করলেন মোদী

Update: January 27, 2013 22:10 IST

ফের ২০১৪ নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা নিয়ে জল্পনা উস্কে দিল বিজেপি শিবির। অভিনন্দন জানাতে যাওয়া গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করলেন নতুন বিজেপি সভাপতি। রবিবারই রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদী। বিশদে না বললেও সাক্ষাতের পর নির্বাচনী আলোচনার কথা জানিয়ে দেন দুই নেতাই।

গুজরাতে হ্যাটট্রিক আগেই হয়ে গিয়েছে। এবারে কী তবে রাজধানীর লড়াইয়ে বিজেপির প্রধান মুখ হবেন নরেন্দ্র ভাই মোদী? এমনিতেই জল্পনাটা রয়েছে। এবারে তা আরও একটু উস্কে দিল গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজনাথ সিংয়ের সাক্ষাত্‍। নতুন বিজেপি সভাপতিকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে সেখানে উঠে এল দুহাজার চোদ্দর লোকসভা ভোটের কথা। বাইরে বেরিয়ে প্রকাশ্যেই জানিয়ে দেওয়া হল সেই আলোচনার প্রসঙ্গ।

 
বুধবারই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাজনাথ সিং। দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলে দেওয়া শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে সরে দাঁড়াতে হয়েছে নীতিন গড়করিকে। এর ফলে ২০১৪ র নির্বাচনে মোদীর নেতৃত্বে উঠে আসা নিয়ে প্রাথমিকভাবে সংশয় তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু রবিবার রাজনাথ-মোদীর নির্বাচন নিয়ে আলোচনা সেই জল্পনা ফের একবার সামনে এনে দিল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।