রঞ্জি ফাইনালে চালকের আসনে সচিনরা

Update: January 26, 2013 20:31 IST

সৌরাষ্ট্র-- ১৪৮। মুম্বই-- ১৯/০

সচিনের জন্য এবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে আকর্ষণ অন্যমাত্রা পেয়েছে। প্রথম দিনই চালকের আসনে মুম্বই। সচিনের মুম্বই এদিন টসে জিতে ব্যাট করতে পাঠায় সৌরাষ্ট্রকে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বইয়ে বোলিং অ্যাটাকের সামনে মাত্র ১৪৮ রানেই গুটিয়ে যায় সৌরাষ্ট্র। কোচ দেবু মিত্রের দলের সর্বোচ্চ রান ভাসাভদার ৫৫। মুম্বইয়ের হয়ে ধবল কুলকার্নি পেয়েছেন চারটি উইকেট। দুটি করে উইকেট পান ধবলকর ও অভিষেক নায়ার।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে মুম্বইয়ের স্কোর বিনা উইকেটে ১৯। ক্রিজে রয়েছেন ওয়াসিম জাফর ও পাওয়ার। এদিন ম্যাচে সবার নজরেই ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। মুম্বই দলের হয়ে শেষবার সচিন রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছিলেন ছয় বছর আগে। এতদিন পর আবার সচিনের মুম্বইয়ের সামনে নতুন কীর্তি গড়ার সুযোগ। যদি শেষপর্যন্ত মুম্বই চ্যাম্পিয়ন হয়, তবে ৪০ বার রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হবে তাঁরা। 
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।