রসবড়া

Update: January 13, 2013 16:40 IST

রসবড়া আবার ঠিক সরাসরি পিঠে পরিবারের সদস্য নয়। তবে এমন এক প্রতিবেশী যে বহুদিন পাশাপাশি থাকতে থাকতে একে অপরের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে। পৌষের শীত মেখে বাকি পিঠেদের সঙ্গে সেও হাজির বাঙালির পাতে। কিন্তু চালের গুঁড়োর সঙ্গে বিউলির ডালের একটা ফিউসন নিয়ে সে কিন্তু সযত্নে নিজের স্বাতন্ত্র বজায় রেখেছে।

কী কী লাগবে


বিউলির ডাল-১ কাপ
চালের গুঁড়ো-আধ কাপ
ঘি সামান্য
ভাজার জন্য তেল

রসের জন্য

চিনি-১ কাপ
জল-১ কাপ

পুরের জন্য

নারকেল কোরা- ১ কাপ
চিনি- ১ কাপ
২টি এলাচ গুঁড়ো

কীভাবে বানাবেন

জল আর চিনি ফুটিয়ে রস বানিয়ে নিন। ডাল সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। চালের গুঁড়ো ডালবাটার সঙ্গে মিলিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিন। হাতে ১ টেবিল চামচ ঘি নিয়ে মাখার সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে দিন।

পুরের সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে পুর বানিয়ে নিন।

চাল মাখা দিয়ে গোল গোল করে বড়ার মতো বানিয়ে মাঝখানে পুর ভরে ডুবো তেলে ভেজে চিনির রসে ফেলে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিলেই তৈরি সুস্বাদু রসবড়া।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।